নুরুজ্জামান জানান, পাঁচজন মিলে একটি গরু কোরবানী দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে অংশিদাররাসহ আবাদপুকুর পশুরহাটে গরু কিনতে আসি। বেলা ১১টার দিকে হাটে নামার পরপরই প্যান্টের পকেট থেকে এক লাখ টাকা চুরি হয়ে যায়। পরে পকেটে হাত দিয়ে দেখি টাকা নেই। সাথে সাথে টাকা উদ্ধারের জন্য আবাদপুকুর হাট ইজারাদার কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু এ ঘটনায় কাউকে সনাক্ত করা বা টাকা উদ্ধার করা যায়নি। তিনি বলেন, কোরবানী কিনার টাকা চুরি হয়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পরেছি।
আবাদপুকুর হাটের ইজারাদারের এক অংশিদার হাজের আলী বলেন, প্যান্টের পকেট থেকে এক লাখ টাকা চুরি যাওয়ার ঘটনাটি ওই ক্রেতা জানিয়েছেন। কিন্তু টাকা উদ্ধারের কোন সুরাহা করা যায়নি। তিনি বলেন, টাকা নিজ নিজ হেফাজতে সাবধানে রাখতে এবং আসল ও জাল টাকা দেখে লেন-দেন করতে ক্রেতা-বিক্রেতাকে সচেতন করার জন্য পশুরহাটে সব সময় মাইকিং করা হচ্ছে। তার পরেও যদি কেউ সচেতন না হয় তাহলে কি করার আছে।
রাণীনগর থানার ওসি মো. জাকারিয়া মন্ডল বলেন, আবাদপুকুর পশুরহাটে টাকা চুরির ঘটনাটি শুনেছি। তবে এ ঘটনায় এখনো থানায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।