পরবর্তীতে স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঈন মন্ডল এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মধ্যস্থতায় এক সালিশি বৈঠকে অভিযুক্তদের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মেশিনের মালিক ময়েন শাহ বলেন, “আমি মূলত আমার চুরি যাওয়া মেশিন ও চোরদের পেয়েছি এবং স্থানীয়ভাবে তাদের বিচারও হয়েছে। তারা মেশিন চুরির কথা স্বীকার করেছে। তবে ইব্রাহিমের সাথে তাদের সম্পৃক্ততা বা টাকার ভাগের বিষয়টি নিয়ে এলাকায় এখন রাজনৈতিক রঙ লাগানোর চেষ্টা চলছে।” উপজেলা ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী ইব্রাহিম বলেন, সম্প্রতি একটি চুরির ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। মূলত দীর্ঘদিন ধরে চালের ডিলারশিপ ও স্থানীয় একটি বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল আমার রাজনৈতিক সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে এই অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হলো— সেদিন ঘটনাটি সম্পর্কে আমি কিছুই জানতাম না। পাবনা যাওয়ার পথে আমাকে ফোন করে জানানো হয় যে, দাশুড়িয়ায় বিপদে পড়ে কয়েকটি ছেলে আটক হয়েছে। তখন আমি শুধু ফোন দিয়ে বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দ্রুত সমাধান করতে বলি। ঘটনাস্থলে আমার উপস্থিতি বা চুরির সাথে জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ বা ডকুমেন্ট কেউ দেখাতে পারবে না। তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মঈজ কাকার উপস্থিতিতে উভয়পক্ষ বসে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে নেয়। সেখানে সালিশে ১০ হাজার টাকা জরিমানা নির্ধারণ করে ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান করা হয়েছে।