আব্দুর রশিদ ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ১নং রুহিয়া ইউনিয়নের ঘনিমহেশপুর পঞ্চায়েতপাড়া এলাকার মৃত সহির উদ্দীনের ছেলে।
সরেজমিনে দেখা যায়, দীপশিখা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে রেলগেটের পশ্চিম দিকের কুজিশহর মৌজার একটি পরিত্যক্ত পুকুরে ভাসমান অবস্থায় চাষ করা কলমি শাক বাজারে বিক্রির জন্য সংগ্রহ করছেন আব্দুর রশিদ।
নিজের উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি জানান, এই চাষাবাদে তার খরচ হয়েছে খুবই সামান্য। মাত্র আড়াই কেজি বীজ এবং কিছু সার প্রয়োগ ছাড়া বড় কোনো বাড়তি খরচ করতে হয়নি। সব মিলিয়ে তার মোট খরচ হয়েছে মাত্র ১ হাজার ৫০০ টাকা। ইতোমধ্যে পরিবারের নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে প্রায় ৫ হাজার টাকার কলমি শাক বাজারে বিক্রি করেছেন তিনি। পুকুরে যে অবশিষ্ট শাক রয়েছে, তা বিক্রি করে আরও অন্তত ১০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
স্থানীয়দের মতে, কীটনাশক ও ক্ষতিকর রাসায়নিক ছাড়াই সম্পূর্ণ জৈব পদ্ধতিতে উৎপাদিত হওয়ায় বাজারে এই কলমি শাকের চাহিদাও রয়েছে বেশ ভালো।
এ বিষয়ে রুহিয়ার অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা নাসিরুল আলম বলেন, কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে এ ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আমরা নিয়মিত সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদান করে থাকি। তাদের উৎসাহিত করতে আমরা সচেষ্ট আছি, যেন তারা আরও এগিয়ে এসে সমাজের মূলধারায় নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে পারেন।