এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী ফরহাদ হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক ফরহাদ হোসেন জয়পুরহাট জেলার আটুল গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে। আর নিহত মুনিরা খাতুন জেলার ধামইরহাট উপজেলার অমরপুর গ্রামের মাসুদের মেয়ে।
স্থানীয় ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গৃহবধু মুনিরা খাতুন তার বোন মহসিনার সাথে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। এদিকে গৃহবধুর স্বামী ফরহাদ হোসেন রোববার ভোরে ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। দীর্ঘদিন থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল। এদিন সকালে ফরহাদ হোসেন বিষয়টি জানার পর তার স্ত্রীর কাছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসেন। এসময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কথা বলার এক পর্যায়ে ঝগড়া শুরু হয়। এতে ফরহাদ হোসেন উত্তেজিত হয়ে ক্ষোভের বসে তার স্ত্রীর বুকে ও পেটে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা তাকে আটক করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন। আর গুরুত্বর আহতাবস্থায় মুনিরা খাতুনকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি মারা যান।
ধামইরহাট থানার অফিসার ইনচার্জ মিন্টু রহমান নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক স্বামী ফরহাদ হোসেনকে আটক করা হয়েছে। এবং লাশের সুরুতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এছাড়া মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন।