শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মাদকমুক্ত পাবনা গড়ার কারিগর এসপি ছুফি উল্লাহর বদলি: জেলাজুড়ে হতাশা ও ক্ষোভ, আদেশ পুনর্বিবেচনার জোরালো দাবি ঈশ্বরদীতে মোটরসাইকেল চুরির চেষ্টার ঘটনায় তিন চোরসহ পাঁচজন গ্রেফতার এক মাসেই ভেঙে চুরমার: অভয়নগরে নিম্নমানের পিচ সড়কে দুর্নীতির গন্ধ অবহেলা ও জলবায়ু পরিবর্তনের থাবায় হারিয়ে যাচ্ছে শাপলা ফুল ঈশ্বরদীতে সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলুর আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নদী খনন কর্মসূচির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে: প্রতিমন্ত্রী টুকু মানিকগঞ্জে কাভার্ড ভ্যানের ধাক্কায় ভ্যানচালক নিহত ঝালকাঠি জেলা কৃষক দলের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি পালন

এক মাসেই ভেঙে চুরমার: অভয়নগরে নিম্নমানের পিচ সড়কে দুর্নীতির গন্ধ

মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৪ অপরাহ্ন

প্রকৌশলী দপ্তর-ঠিকাদারের যোগসাজশের অভিযোগ, জনদুর্ভোগ চরমে, মেরামতের আশ্বাসে ক্ষোভ কমছে না। যশোরের অভয়নগর উপজেলার ফকিরবাগান থেকে বর্নীর মোড় পর্যন্ত পিচঢালা সড়কটি সংস্কারের এক মাস যেতে না যেতেই ভেঙে চুরমার হয়ে পড়েছে। নতুন করে নির্মাণ করা এই সড়কের এমন বেহাল দশা দেখে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চুয়াডাঙ্গা এলাকার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাকাউল্লা এন্ড ব্রাদার্স সড়কটি সংস্কারের দায়িত্ব পায়। কিন্তু কাজের সময় নিম্নমানের ইট, বালু ও অন্যান্য নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যেই সড়কের বিভিন্ন অংশে ফাটল, গর্ত ও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এলাকাবাসী জানান, সংস্কারের সময়ই কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। দায়সারা কাজ করে দ্রুত শেষ করা হয় পুরো প্রকল্প। তাদের দাবি,

নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে পর্যাপ্ত তদারকি হয়নি সরকারি অর্থ লুটপাটের উদ্দেশ্যে কাজ করা হয়েছে একাধিক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাস্তা বানানোর নাম করে টাকা লুট করা হয়েছে। এখন ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে আমাদেরই।

স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রকৌশলী দপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী কল্যাণ বাবু-র তদারকির দায়িত্ব থাকলেও বাস্তবে তা ছিল না বললেই চলে। তাদের দাবি, দপ্তর ও ঠিকাদারের যোগসাজশেই এমন নিম্নমানের কাজ হয়েছে। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স জাকাউল্লা এন্ড ব্রাদার্স-এর মালিক মো. জাকাউল্লা বলেন, আমার কাজের পার্টনাররা বিষয়টি ভালো বলতে পারবেন। আমি খোঁজ নিয়ে পরে বিস্তারিত জানাবো। উপসহকারী প্রকৌশলী কল্যাণ বাবু সড়কের ভাঙনের বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমি বিষয়টি দেখেছি। ঠিকাদারকে জানানো হয়েছে। তারা আগামীকালের মধ্যে রাস্তা মেরামত করবে। সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে, স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, রোগী পরিবহন, কৃষিপণ্য পরিবহনকারী স্থানীয়দের আশঙ্কা, বর্ষা মৌসুমে এই ভাঙন আরও ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। কেন এক মাসেই ভেঙে গেল নতুন সড়ক? কারা দায় নেবে এই ব্যর্থতার? সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হবে কবে? অভয়নগরের এই সড়ক যেন শুধু একটি রাস্তার ভাঙন নয়, এটি উন্নয়ন কাজের মান, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত সংস্কার নয়, প্রয়োজন সঠিক তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা, এমনটাই দাবি স্থানীয়দের।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর