বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ফসলি জমি কেটে সাবাড় আগামী প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কী?- এস এম মাসুদ রানা নওয়াপাড়ায় ভবন ভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হ*ত্যা আটোয়ারীতে গ্রাম আদালত কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা আটোয়ারীতে এস,কে এগ্রো কমপ্লেক্স স্পেশালাইজড কোল্ড স্টোরেজে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল গোপালপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় সেই শিক্ষক সাময়িক বরখাস্ত আটঘরিয়ায় কৃষকদের নিয়ে ফিল্ড টেকনোলজি ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত নাগরপুরে স্কুল শিক্ষক আব্দুল হাকিমের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন সভাপতি পদপ্রার্থী মো.মাহফুজুর রহমান(বানিজ) নওয়াপাড়া নূরবাগে পচা মাছের সাম্রাজ্য, তাজা নামে চলছে ভয়ংকর প্রতারণা

নওয়াপাড়া নূরবাগে পচা মাছের সাম্রাজ্য, তাজা নামে চলছে ভয়ংকর প্রতারণা

মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর(যশোর):
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৭ মে, ২০২৬, ১২:০১ পূর্বাহ্ন

কাটতেই বের হচ্ছে পচা গন্ধ, রেললাইনের ওপর অবৈধ বাজারে চলছে বিষাক্ত বাণিজ্য, প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন। যশোরের অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া পৌরসভার নূরবাগ রেললাইনের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ মাছ বাজার যেন এখন প্রতারণার অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, তাজা মাছের আড়ালে প্রকাশ্যেই বিক্রি হচ্ছে পচা ও মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ মাছ। সরেজমিনে দেখা যায়, নওয়াপাড়া রেলস্টেশনের আশপাশে রেললাইনের ওপরই অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে অসংখ্য মাছের দোকান। স্থানীয়দের অভিযোগ, অসাধু রেল কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগসাজশে এই অবৈধ বাজার দীর্ঘদিন ধরে চলছে। প্রতিদিন বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জমজমাট এই বাজারে দূরদূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের টার্গেট করে চলছে প্রতারণার এক নীরব সিন্ডিকেট। বাইরে থেকে চকচকে ও তাজা দেখালেও, মাছ ঘরে নেওয়ার পরই বেরিয়ে আসছে ভয়াবহ বাস্তবতা, তীব্র পচা গন্ধ আর অস্বাভাবিক নরম মাংস। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাজারের অনেক মাছেই ব্যবহার করা হচ্ছে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর ফরমালিন বা অন্যান্য রাসায়নিক। এমনকি মাছ সংরক্ষণের বরফেও মেশানো হতে পারে এসব রাসায়নিক, যাতে পচা মাছও দেখতে সতেজ মনে হয়। ভুক্তভোগী ফরহাদ বলেন, মাত্র ১০ মিনিটের পথ পেরিয়ে বাসায় গিয়ে মাছ কাটতেই অসহ্য পচা গন্ধ বের হয়। ধোয়ার সময় মাছের অংশ পানির সঙ্গে গলে যাচ্ছিল। এটা কোনোভাবেই স্বাভাবিক না।

তিনি অভিযোগ করেন, এটা শুধু প্রতারণা না, এটা মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে সরাসরি খেলা।

এমন অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন আরও অনেক ক্রেতা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই একই কৌশলে সাধারণ মানুষকে ঠকানো হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছেন বাজারের কিছু মাছ বিক্রেতা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিক্রেতা বলেন, মাছ কাঁচামাল, মাঝে মাঝে নষ্ট হতেই পারে। আমরা কোনো রাসায়নিক ব্যবহার করি না। যদি সব ঠিকই থাকে, তাহলে কেন ঘরে নেওয়ার পরই মাছ থেকে পচা গন্ধ বের হয়? কেন একই অভিযোগ বারবার আসছে? কার ছত্রছায়ায় চলছে এই অবৈধ বাজার? এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। দ্রুত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কঠোর নজরদারি এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর