শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

দূর্গম চৌহালীতে পুষ্টি সুবিধা বঞ্চিত ২২ হাজার শিশু শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে দেশের ১৫০টি উপজেলায় ফিডিং কর্মসূচি চালু করেছে সরকার। তবে সিরাজগঞ্জ জেলার যমুনা নদী বিধ্বস্ত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এবং দুর্গম ঘোষিত চৌহালী উপজেলাকে এ প্রকল্পের বাইরে রাখায় স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।
উপজেলাটি নদীভাঙন, দারিদ্র্য ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে বরাবরই উন্নয়ন কার্যক্রমে পিছিয়ে রয়েছে। এই উপজেলায় শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ চরাঞ্চল ও প্রত্যন্ত এলাকা থেকে স্কুলে আসে, যাদের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি ঝুঁকির মাত্রা তুলনামূলকভাবে বেশি।
জানা গেছে, ২০১০ সাল থেকে চৌহালী উপজেলায় ১২৮ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২২ হাজার ৩৬৫ জন শিশু শিক্ষার্থীদের মাঝে পুষ্টি সমৃদ্ধ বিস্কুট বিতরণ কর্মসূচি চলমান ছিল। এ প্রেক্ষাপটে হঠাৎ করে নতুন প্রকল্প থেকে চৌহালীর নাম বাদ যাওয়ায় স্থানীয়রা বেশ হতাশ হয়েছেন।
স্থানীয় নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অভিভাবকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা বলেন, সিরাজগঞ্জ জেলার সবচেয়ে দূর্গম, গরিব ও নদী ভাঙ্গন কবলিত উপজেলা চৌহালী ৷ এখানকার মানুষ যমুনা নদী ভাঙ্গনে দিশেহারা, অসহায় ও গরিব ৷ দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা ও বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনায় চৌহালী ফিডিং কর্মসূচির আওতায় থাকবে। কিন্তু তালিকায় না থাকায় তারা উদ্বিগ্ন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ জানান- বিষয়টি আমি জেলা শিক্ষা অফিসে কথা বলেছি। তারা বলেছেন যে, ফিডিং কর্মসূচির সিদ্ধান্ত হয়েছে ঢাকা থেকে। তিনি আরও বলেন এখানে ফিডিং কর্মসূচি চালু থাকলে অবশ্যই ভালো হতো।
প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ বলেন- ১৫০ উপজেলায় ডিপিই এপ্রুভ করা আছে তবে ৩৫৯ উপজেলায় অন্য প্রকল্পের মাধ্যমে ফিডিং কর্মসূচি চালু হবে এবং তখন কোন উপজেলা বাদ থাকবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর