শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সারাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়ায় কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল গোপালপুরে ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক, নারীর ঘর ভাঙচুর-লুটপাট আটঘরিয়ায় দুর্গাপূজা ঘিরে কড়া  নিরাপত্তা জোরদার, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং  নাগরপুরে বখাটে ছাত্রর হাতে শিক্ষিকা লাঞ্ছিত  ঈশ্বরদীতে ১২বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা  ঈশ্বরদীর গোয়াল বাথান গ্রামে বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস পালিত, নারীর অবদান ও অধিকার সুরক্ষার আহ্বান এডওয়ার্ড ফিটনেস ক্লাব পাবনার ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ‎অভয়নগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস চলে নিরাপত্তা প্রহরীর ভরসায়, দ্বায়িত্ব অবহেলা কর্মকর্তার 

ইউক্রেনে আরো ৮২ হাজার রুশ রিজার্ভ সেনা মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক:
আপডেট সময়: শনিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২২, ৬:১১ অপরাহ্ন

ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে যুদ্ধের জন্য আরও ৮২ হাজার রিজার্ভ সেনা পাঠিয়েছে রাশিয়া। খেরসন, ডনবাসসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে রুশ বাহিনীর বিপর্যয়ের মধ্যে নতুন করে জোরালো লড়াইয়ে এসব সেনা পাঠিয়েছে মস্কো। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

রিজার্ভ থেকে সেনা পাঠানো নিয়ে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বলেন, তিন লাখ রিজার্ভ সেনার মধ্যে ২ লাখ ১৮ হাজার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন এবং ৮২ হাজার সেনা ইউক্রেনে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার পুতিন ও শোইগু’র মধ্যে বৈঠকটি রাশিয়ার দুটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পুতিনকে বলেন, আপনি যে ৩ লাখ সেনা সংঘবদ্ধের কথা বলেছিলেন তা সম্পন্ন হয়েছে।

পুতিনের নির্দেশের পর গত সেপ্টেম্বরে রিজার্ভ থেকে নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু করে রাশিয়া। পুতিনের ঘোষণার প্রতিবাদে তখন রাশিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ এবং দেশ ছেড়ে চলে যান অনেক নাগরিক।

এদিকে শুক্রবার ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানান, খেরসনে নিজেদের অবস্থা শক্তিশালী করার জন্য আরও ১ হাজার জরুরি সেনা দিনিপ্রো নদীর ওপারে পঠিয়েছে রাশিয়া। এর মানে কোনও লড়াই ছাড়াই শহরটির নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে রাজি নয় ক্রেমলিন।

ইউক্রেনীয় সেনাদের সঙ্গে সম্ভাব্য বড় ধরনের লড়াইয়ের আগে দখলকৃত খেরসন থেকে বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন রুশ কর্মকর্তারা। ধারণা করা হচ্ছে অন্তত ৭০ হাজার নাগরিককে দিনিপ্রো নদীর পূর্ব তীরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে এই পদক্ষেপকে জোরপূর্বক মানুষদের সরিয়ে নেওয়া বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। দখলকৃত ভূখণ্ডে দখলদার বাহিনী কর্তৃক জনগণকে জোর পূর্বক নিয়ে আসা বা সরিয়ে নেওয়াকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর