শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

ইউক্রেনে আরো ৮২ হাজার রুশ রিজার্ভ সেনা মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৮ পূর্বাহ্ন

ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে যুদ্ধের জন্য আরও ৮২ হাজার রিজার্ভ সেনা পাঠিয়েছে রাশিয়া। খেরসন, ডনবাসসহ বেশ কয়েকটি অঞ্চলে রুশ বাহিনীর বিপর্যয়ের মধ্যে নতুন করে জোরালো লড়াইয়ে এসব সেনা পাঠিয়েছে মস্কো। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

রিজার্ভ থেকে সেনা পাঠানো নিয়ে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বলেন, তিন লাখ রিজার্ভ সেনার মধ্যে ২ লাখ ১৮ হাজার প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন এবং ৮২ হাজার সেনা ইউক্রেনে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার পুতিন ও শোইগু’র মধ্যে বৈঠকটি রাশিয়ার দুটি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। বৈঠকে প্রতিরক্ষামন্ত্রী পুতিনকে বলেন, আপনি যে ৩ লাখ সেনা সংঘবদ্ধের কথা বলেছিলেন তা সম্পন্ন হয়েছে।

পুতিনের নির্দেশের পর গত সেপ্টেম্বরে রিজার্ভ থেকে নতুন করে সেনা সমাবেশের প্রস্তুতি শুরু করে রাশিয়া। পুতিনের ঘোষণার প্রতিবাদে তখন রাশিয়ায় ব্যাপক বিক্ষোভ এবং দেশ ছেড়ে চলে যান অনেক নাগরিক।

এদিকে শুক্রবার ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ জানান, খেরসনে নিজেদের অবস্থা শক্তিশালী করার জন্য আরও ১ হাজার জরুরি সেনা দিনিপ্রো নদীর ওপারে পঠিয়েছে রাশিয়া। এর মানে কোনও লড়াই ছাড়াই শহরটির নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতে রাজি নয় ক্রেমলিন।

ইউক্রেনীয় সেনাদের সঙ্গে সম্ভাব্য বড় ধরনের লড়াইয়ের আগে দখলকৃত খেরসন থেকে বেসামরিকদের সরিয়ে নেওয়ার কাজ শেষ হয়েছে বলে ঘোষণা দিয়েছেন রুশ কর্মকর্তারা। ধারণা করা হচ্ছে অন্তত ৭০ হাজার নাগরিককে দিনিপ্রো নদীর পূর্ব তীরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তবে এই পদক্ষেপকে জোরপূর্বক মানুষদের সরিয়ে নেওয়া বলে অভিযোগ করেছে ইউক্রেন। দখলকৃত ভূখণ্ডে দখলদার বাহিনী কর্তৃক জনগণকে জোর পূর্বক নিয়ে আসা বা সরিয়ে নেওয়াকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর