শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

ইঁদুরের আক্রমণে দিশেহারা সলঙ্গার ধানচাষীরা

কে,এম আল আমিন:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

একেতো সার,সেচ,কীটনাশকের মুল্য বৃদ্ধি,তার উপর আবার ইঁদুরের উপদ্রপে বিপাকে পড়েছে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা থানার ধানচাষীরা। থানার ৬ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এক শ্রেণীর ইঁদুর ইরি-বোরো ধান গাছের গোড়া কেটে সাবাড় করে দিচ্ছে। আবাদের শেষ প্রান্তে এসে ইঁদুরের উপদ্রপে কৃষককুল দিশেহারা হয়ে পড়েছে। কৃষকরা বাড়ির নিকটস্থ ধান ক্ষেতে ঢনঢনি বেঁধে প্রতিকারের চেষ্টা করছে। কেউবা বিষযুক্ত খাবার, ন্যাপথোল,বিভিন্ন কোম্পানীর নামী-দামী ঔষধ ব্যবহার করছে। আবার কিছু কিছু এলাকায় বাঁশ বা কঞ্চির সাথে পলিথিন কাগজ বেঁধে ইঁদুরের আক্রমণ হতে ফসল রক্ষার চেষ্টা করছে। ইঁদুরের উৎপাতে দিশেহারা হয়ে কেউ কেউ আবার ধান গাছ রক্ষায় সনাতন পদ্ধতিতে বাঁশের তৈরি ইঁদুর মারার ফাঁদ  ব্যবহার করছেন। ধানক্ষেতে এভাবে  ইঁদুরের উপদ্রপ অব্যাহত থাকলে কৃষকদের এবার লোকসান গুনতে হবে। তাই ইঁদুরের উপদ্রপে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকেরা।

রায়গঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি ইরি-বোরো আবাদ গতবারের তুলনায় এবার অনেক বেশি হয়েছে। গত বছর ৯ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছিল। গতবারের চেয়ে এবার আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এবার উপজেলায় ১০ হাজার ৭৭০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো আবাদ হয়েছে। ইঁদুরের উপদ্রপের কারণে কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন এমন খবরও জানা গেছে। প্রতিকারের চেষ্টায় কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তাদের মাঠে গিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম  জানান, উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর ইঁদুর নিধনে ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। দেশীয় পদ্ধতিতে ইঁদুর মারার ফাঁদ, বিষ,গর্তে পানি ভরিয়ে ইঁদুর তাড়ানোর চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও জানান, ইঁদুর মারার জন্য ল্যানিরাট, ক্রর‌্যাট-ই জাতীয় কীটনাশক প্রয়োগের ফলে ইঁদুর অনেক সময় ক্ষেতে না মরে অন্য জায়গায় মরছে। আমরা কৃষকদের এভাবে বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে আসছি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর