মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আমশড়া মাদ্রাসার ২১পরীক্ষার্থীর সবাই ফেল : শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন?  মানিকগঞ্জে বিবিএ ছাত্র রিদোয়ান অপহরণের ৯ দিন পার, রাজপথে মানববন্ধন সন্তানের জন্মদিন ও দাদার মৃত্যুবার্ষিকীতে নাগরপুরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত কৃষকদের নিয়ে রুহিয়ায় পার্টনার প্রকল্পের পিএফএস গ্যাপ স্কুলের ২য় সেশন অনুষ্ঠিত ‎অভয়নগরে চুরি যাওয়া দুই গরু উদ্ধার না হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেবোত্তর ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির মতবিনিময় ও আলোচনা সভা  সিলেটে অক্টোবরের ডেঙ্গুতে শনাক্ত হয়েছেন ৪৬৭ জন ‘পাবনা পৌরসভার উন্নয়নে মেয়র প্রার্থীদের ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আত্রাইয়ে আমন চাষে নতুন স্বপ্ন দেখছে কৃষকরা

রুহুল আমিন, আত্রাই(নওগাঁ)প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বুধবার, ২৮ জুলাই, ২০২১, ৬:০৬ অপরাহ্ন

নওগাঁর আত্রাইয়ের বিভিন্ন মাঠ থেকে বন্যার পানি কমে যাওয়ায় শঙ্কিত কৃষকরা আমন ধানের নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। মাঠে মাঠে চলছে আমন ধান রোপনের ব্যাপক প্রস্তুতি। কোথাও জমি চাষ, কোথাও বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন আবার কোথাও রোপন এ নিয়ে এলাকার কৃষকরা এখন চরম ব্যস্ত সময় পার করছেন।

জানা যায়, এবারে উপজেলার ৮ ইউনিয়নে ৫ হাজার হেক্টরের অধিক জমিতে আমন ধানের চাষ হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ। কৃষি বিভাগের তথ্যমতে উপজেলার ৮ ইউনিয়নের মধ্যে শাহাগোলা, মনিয়ারী ও ভোঁপাড়া ইউনিয়নে সর্বাধিক পরিমাণ জমিতে আন ধানের চাষ হয়ে থাকে। এ ছাড়াও অন্যান্য ইউনিয়নের উঁচু জমিগুলোতে আমন ধানের চাষ করেন কৃষকরা। এসব এলাকার মাঠগুলোতে চাষকৃত আমন ধানের মধ্যে পাইজাম, জিরাসাইল, ব্রি-২৯সহ উচ্চ ফলনশীল অনেক জাতের হাইব্রিড ধানেরও চাষ হয়ে থাকে। এর সাথে গত কয়েক বছর থেকে যোগ হয়েছে সু-ঘ্র্যাণের চিনিআতচ ধানের চাষ। এদিকে মৌসুমের শুরুর দিকে অতি বর্ষণ ও রক্তদহ বিলের পানিতে শাহাগোলা, মনিয়ারী ও ভোঁপাড়া ইউনিয়নে বিভিন্ন মাঠ পানির নিচে তলিয়ে যায়। ফলে হাজার হাজার কৃষকদের মাঝে আমন চাষ নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। সম্প্রতি এসব মাঠ থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় ওই কৃষকদের মাঝে বইছে আনন্দের ঢেউ। তারা পুরোদমে আমন চাষে মাঠে নেমেছেন। ইতিমধ্যেই অনেকে আমন রোপন কার্যক্রম শুরু করেছেন। প্রতিকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলে এবারে এ উপজেলায় আমনে বাম্পার ফলন হবে বলে কৃষকরা আশা পোষণ করছেন।

উপজেলার কচুয়া গ্রামের কৃষক আব্দুর রহিম বলেন, আমাদের মাঠ থেকে বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় আমরা পুরোদমে আমন ধানের চাষে মাঠে নেমেছি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কেরামত আলী বলেন, আমন ধান একটি সম্ভাবনাময় ফসল। বিশেষ করে চিনিআতপ ধান আমাদের এলাকার কৃষকদের জন্য অত্যন্ত লাভজনক। কৃষকরা যাতে আমন ধান উৎপাদনে কোন সমস্যার সম্মুখিন না হন এ জন্য আমরা মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষণিক কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছি। উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কেএম কাউছার হোসেন বলেন, কৃষকদের আনচাষে উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন সময় আমরা তাদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। সেই সাথে সরকারীভাবে তাদেরকে প্রণোদণাও দেয়া হয়েছে। অল্প খরচে অধিক ফলন যাতে কৃষকরা পান এ জন্য তাদেরকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে আমরা উদ্বুদ্ধ করছি।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর