শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

সুখী দাম্পত্য জীবনের গোপন রহস্য কি?

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

সব সম্পর্কেই লড়াই বিবাদ আছে। মতের অমিল, ভিন্ন ভিন্ন ইচ্ছার কারণে দুজনের মধ্যে ঝগড়া হতে পারে। দুজনের ভিন্নমতের কারণে সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় থাকে না। এজন্য মনোমালিন্য লেগেই থাকে। হতে পারে সেটা সঙ্গী ব্যতিত অন্য কারো সাথে দেখা করা হয়েছে বা আইসক্রিম খাওয়া হয়েছে এই বিষয় নিয়েও।

কখনো কখনো লড়াই করারও বিকল্প আছে। অপর ব্যক্তি যা বলছে আপনি যদি সেটা মন দিয়ে শোনেন এবং সম্মত হন তাহলে দেখা যাবে কোন সমস্যা নেই।

কেন? কি কারণ আপনি আরেকজনের কাছে হারতে চান না?

অনেকে বলে ঝগড়া-বিবাদ সম্পর্কের জন্য উপকারী। এটি আপনার সম্পর্ককে শক্তিশালী করে তোলে। এই ধারণাগুলো কারো কারো ক্ষেত্রে সত্য হতে পারে তবে অন্যদের সম্পর্ক ধ্বংসের দিকে যায়। ঝগড়া সবসময় মিষ্টি হয় না, যদি না এর পরে সঠিক সমাধান হয়।

অনেকে বলবেন ক্ষমা ছাড়া কখনোই একটি সম্পর্ক দাঁড়িয়ে থাকে না। দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের জন্য আপনাকে সবসময় ক্ষমা করতে হবে তবে ক্ষমা কি আসলেই আপনাকে সুখ দেয়? গবেষণা বলছে, ক্ষমা আসলেই সুস্থ সম্পর্কের গোপন রহস্য। ক্ষমা দোষী মানুষটাকে নিজেকে শুধরে নেওয়ার পথ খুঁজে দেয়।

ক্ষমার জন্য ভারসাম্য দরকার:

আপনি বহুবার একই ভুল করবেন আর আপনার সঙ্গী ক্ষমা করে দেবে বিষয়টা এমন নয়। ভুল করে যে আঘাত আপনি তাকে করেছেন তা নিরাময় হতে সময় প্রয়োজন। তার পরেও ক্ষমা করে দেয় আপনার সঙ্গী কারণ দিনশেষে ভালোবাস জয়ী হয়।

আপনি যদি আপনার সঙ্গীর কথা ভেবে ওই ভুল আর না করেন তা হবে ক্ষমার ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীন। আপনার সঙ্গীও ভুল করতে পারে এবং তাই, আপনারও তাকে ক্ষমা করার মানসিকতা থাকা উচিত। তবে ভুলের ক্ষেত্রে ছোট বড় আছে সেই হিসেবে প্রতিক্রিয়াও ভিন্ন ভিন্ন হবে।

ক্ষমাকে তিক্ততার পর্যায়ে নিয়ে না যাওয়া:

একটি ভুল ক্ষমা করতে সময় লাগে। তবে যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক হতে পারে তা হলো আপনার সঙ্গী ভুলটি সংশোধনের দিকে মনোযোগ দেয় না। প্রতিবারই যখন সে আপনাকে হতাশ করে কিন্তু আপনি তাকে ক্ষমা করে দেন, কথা বলা শুরু করেন। এরফলে যে ভুল করে তার মনে একটা চিন্তা চলে আসে যে, , আমি যত ভুল করি না কেন, আমার প্রিয়জন আমাকে সর্বদা ক্ষমা করবেন। এই চিন্তাই একটি সম্পর্ককে দিন দিন নষ্ট করে। এরপর এমন কোন ভুল করে বসে যা ক্ষমার অযোগ্য। এছাড়া আপনি বারবার ভুল করার কারণে দীর্ঘদিন আপনার বিবেকের কাছে দোষী হয়ে থাকবেন। এজন্য আপনার সঙ্গীর সাথে খোলাখুলি কথা বলা উচিত।

লড়াই বাদ দিয়ে সুন্দর সমাধান:

প্রতিযোগিতা বাদ দিয়ে দুজনের উচিত একটি সুন্দর সমাধানে নিয়ে আসা। আপনি যদি আপনার সঙ্গীর সাথে সন্তোষজনক সিদ্ধান্তে না এসে নিজে জিততে চান তবে সম্পর্ক নষ্ট করার ক্ষেত্রে আপনি একধাপ এগিয়ে আছেন। আপনার লক্ষ্য যুক্তিতে জেতা নয়, আপনার লক্ষ্য হবে কেবল সুন্দর সমাধান।

দম্পতি হিসাবে ছোট ভুলগুলি ক্ষমা করা যদি আপনার বন্ধনকে শক্তিশালী করতে পারে, তবে এতে বিশ্বাস করুন। তবে ক্ষমারও একটি ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।

সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর