বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
‎অভয়নগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস চলে নিরাপত্তা প্রহরীর ভরসায়, দ্বায়িত্ব অবহেলা কর্মকর্তার  প্রতিকূলতা পেরিয়ে মাল্টা চাষে সফল শারমিন, অনুপ্রেরণা ছড়াচ্ছেন গ্রামজুড়ে চৌহালীতে কালের সাক্ষী রেহাই পুকুরিয়া উত্তরপাড়ার জরাজীর্ণ কাঠের সাঁকো আটোয়ারীতে আসন্ন দুর্গাপূজাকে সামনে রেখে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত আটোয়ারীতে হাজী সাহার আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রুহিয়ায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের মাসিক সমন্বয় সভা নাগরপুরে ফ্যামিলি কার্ড তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন নাগরপুরে দুর্গা পূজার প্রস্তুতি পরিদর্শন করলেন এমপি  লাভলু

অভয়নগরে রাস্তার নির্মাণ কাজ বন্ধে সীমাহীন দুর্ভোগ

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:৫৪ অপরাহ্ন

মোঃ কামাল হোসেন অভয়নগর যশোর থেকে:

যশোরের অভয়নগরে নির্মাণাধীন একটি সড়কের কাজ বন্ধ হওয়ায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। বৃষ্টি হলে বালু ও কাদায় বন্ধ হয়ে যায় চলাচল। দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্নের দাবি করেছেন এলাকাবাসী। উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় সূত্র জানায়, উপজেলার চলিশিয়া ইউনিয়নের একতারপুর থেকে পায়রা ইউনিয়নের এফডব্লিউসি পর্যন্ত নতুন এ সড়কের নির্মাণ কাজের ব্যয় ৬৮ লাখ ২৩ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে সড়কটির সাব বেজের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মেকাডম ও কার্পেটিংয়ের কাজ বাকি আছে। ঝিনাইদহ জেলার ইমন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করছে। বৃহস্পতিবার সরেজমিন দেখা যায়, নির্মাণাধীন সড়কের কাজ বন্ধ আছে। রাস্তার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির পানি জমে বালু ও কাদায় চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

 

বালু ও কাদার কারণে ছয়জন শ্রমিক মাছের পোনা ভর্তি একটি নসিমন ঠেলে সরাতে হিমশিম খাচ্ছে। স্থানীয় মৎস্য ঘের মালিক ও কৃষকরা তাদের পণ্য বাজারে নিতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ফুল মিয়ার সঙ্গে মোবাইলে কথা হলে তিনি জানান, আমাদের কাজ প্রায় সমাপ্তির পথে। বেড কাটা, বালু ফিলিং, সার্ফেস (এসএস) ও হ্যাজিংয়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মেকাডম ও কার্পেটিংয়ের কাজ বাকি আছে। যা শেষ করতে ১২ দিন সময় লাগতে পারে। কাজ বন্ধ রাখার কারণ জানতে চাইলে তিনি উপজেলা প্রকৌশলীর সাথে কথা বলতে অনুরোধ করেন। এ ব্যাপারে অভয়নগর উপজেলা প্রকৌশলী কামরুল ইসলাম সরদার জানান, ওই রাস্তার কাজ প্রায় শেষের পথে। ল্যাবরেটরি পরীক্ষার ফলাফলের জন্য কাজ বন্ধ আছে। ২-৩ দিনের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল আসলে কাজ শুরু করা হবে।

 

এলাকাবাসীর পক্ষে ফারাজী মনির হাসান তাপস যুগান্তরকে বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ হয় রাস্তার কাজ বন্ধ। হাজার হাজার মানুষের চলাচল এই রাস্তায়। গ্রামতলা ও পায়রা এলাকার শত শত মৎস্য ঘের ব্যবসায়ী ও কৃষকদের চলাচলের একমাত্র রাস্তা এটি। চলিশিয়া ইউপি চেয়ারম্যান নাদির হোসেন মোল্যা রাস্তাটিকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্নের দাবি জানান।

#CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর