শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সারাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়ায় কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল গোপালপুরে ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক, নারীর ঘর ভাঙচুর-লুটপাট আটঘরিয়ায় দুর্গাপূজা ঘিরে কড়া  নিরাপত্তা জোরদার, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং  নাগরপুরে বখাটে ছাত্রর হাতে শিক্ষিকা লাঞ্ছিত  ঈশ্বরদীতে ১২বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা  ঈশ্বরদীর গোয়াল বাথান গ্রামে বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস পালিত, নারীর অবদান ও অধিকার সুরক্ষার আহ্বান এডওয়ার্ড ফিটনেস ক্লাব পাবনার ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ‎অভয়নগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস চলে নিরাপত্তা প্রহরীর ভরসায়, দ্বায়িত্ব অবহেলা কর্মকর্তার 

চীনে ছড়িয়ে পরা নতুন ভাইরাসের লক্ষণ-কারণ

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২০, ১২:৩৮ অপরাহ্ন

করোনায় পুরো বিশ্ব যখন স্থবির হয়ে আছে তখন চীনে দেখা দিয়েছে আরেক নতুন ভাইরাসের উপদ্রব। বিশেষ এক ধরনের রক্তচোষা পোকার কামড় থেকে ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাসের সংক্রমণ।

চীনের গ্লোবাল টাইমসের রিপোর্ট অনুযায়ী, পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশ এখনও পর্যন্ত ৩৭ জনের শরীরে নয়া এসএফটিএস (সিভিয়ার ফিভার উইথ থ্রমবোসাইটোপেনিয়া সিনড্রোম) ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া পূর্ব চীনের আনহুই প্রদেশও আরও ২৩ জন নতুন এই ভাইরাসে আক্রান্ত। এরমধ্যে মারা গেছেন ৭ জন।

বিশেষজ্ঞরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সংস্পর্শের মাধ্যমে ভাইরাসটি ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে। আগের আক্রান্তের ভিত্তিতে জানা গেছে, ভাইরাসটি সংক্রমিত প্রাণী বা মানুষের থেকে অন্যের শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। রক্তের মাধ্যমে, শ্বাসনালী ও ক্ষত দিয়েও এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

এই ভাইরাসের লক্ষণ হিসেবে দেখা গেছে জ্বর-সর্দি হতে। জ্বর হয়ে লিউকোসাইট কমে যেতে পারে। প্লেটলেটের সংখ্যাও স্বাভাবিকের তুলনায় কম হবে।

এদিকে চীনের সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পূর্ব চীনের আনহুই প্রদেশের লুয়ান কাউন্টির স্থানীয় স্বাস্থ্য কমিশন শুক্রবার রাতে এই সংক্রামক রোগ ছড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসএফটিএস একটি এঁটেল পোকাবাহিত নতুন বুনিয়া ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট রোগ।

গ্লোবাল টাইমস এই রোগকে ‘উদীয়মান’ নতুন রোগ বলে দাবি করলেও, বিভিন্ন গবেষণা ঘেঁটে জানা যাচ্ছে, অন্তত ২০১০ সাল থেকেই চীনের বিভিন্ন জায়গায় এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দেখা গেছে। গত বছরই ‘নেচার’ পত্রিকায় প্রকাশিত একটি গবেষণায় দাবি করা হয়েছিল, ২০১১ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে চীনে মোট ৫,৩৬০ টি এসএফটিএস-এর কেস গবেষণাগারে নিশ্চিত করা হয়েছে।

আরও বলা হয়েছে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই রোগের শিকার হয় ৪০ বছর থেকে ৮০ বছর বয়সী ব্যক্তিরা। ২০১১ সালে চীনের ৯৮ টি কাউন্টিতে এই সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। ২০১৬ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬৭।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর