বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ পূর্বাহ্ন
/ সাহিত্য
রোদের তাপ বৃষ্টির পানি লাগতে দেয়নি গায়ে- বৃক্ষের মত ছায়া দিয়ে বড় করেছে পায়ে-পায়ে। হাতটি ধরে উন্নতির তরে আমায় তিনি গড়েন, জগতে আছে বাধা যত সবার সাথে লড়েন। দুঃখ-কষ্ট ঝড়-ঝাপটা আরোও পড়ুন...
কোথায় থেকে মৌমাছি এসে বসছে গাছের ডালে, আনন্দ নিয়ে খুশি হয়ে আজ সব গেছে ভুলে। উঠে আসে জুড়ে বসে গাছের ডালে দোলে, পাশ দিয়ে গেলে সেতো কামুড় দেয়  গায়ে। উঠে
কার কাছে তুমি হলে বন্দী ওগো প্রিয় ধরনি, মানব কুলের আর্তনাদ কি এতটুকু শোনোনি।। তোমার মাঝে করছে বিচরণ দানব হায়নার মত, তুমি থাকলেও শান্ত আবার, আমরা হচ্ছি ক্ষত।। মানুষের মানুষের
শিশির গুলো রোজ প্রভাতে একটু হাসে একটু কাঁদে শত দুঃখ লুকায় তাঁরা পিষ্ট যে হয় পায়ের ফাঁদে! নদী, সাগর, পুকুর ডোবা বাষ্পিত হয় তপ্ত রোদে মেঘের মালায় আকাশ শোভা কান্না
মোর দেশে আছে এক ছোট জমিদার নামটি শুনি সোহেল চৌধুরী মনটা বড় তার। দেশ বরণ্য খ্যাতি তার মোদের এ সংসারে হত দরিদ্র মানুষের খবর নেই সে ঘরে ঘরে। শিল্পপতির লিষ্টে
চলনবিলের দক্ষিন পাড়ে আমার বসত ঘরে- দাওয়াত করছি আসতে তোমাদের স্বপরিবারে, হবে হেথায় খানা-পিনা আর আড্ডা বাজি- আসবে দোস্ত অবশ্যই সানন্দে হয়ে রাজি! হবে কথা রকমারী আলাপ-আলোচনার ভীড়ে- আসবে কিন্তু
তোমার আমার স্বপ্ন চার-দেওয়ালে বন্দি, তবুও কত লোক এসে আটে নানান ফঁন্দি! আমি নাকি ওরাই বড় ধান্দাবাঁজ, এই পথে এসে হারিয়েছি শরম-লাজ। প্রকৃতির মাঝে কৃত্রিমতার ছাপ তোমরা আমার ভাই করে
দেখো মুসলিম দেখো তোমরা, আমাদের মাঝে আসছে রোজা। সেহরী যেন রোজার মায়া। পড়ি নামাজ এসো মোরা, চলো সারিবদ্ধ হয়া, ইফতারের আগে করি দোয়া। তরুণ কিংবা বুড়া, চলো নামাজ পড়ি মসজিদে