বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আশারফ জিন্দানী (রহ.) মাজার ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির অনিয়মের প্রতিবাদে চাটমোহরে মানববন্ধন জ্বালানি তেলে কারচুপি রোধে বগুড়ায় ৫ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইয়ের অভিযান আটোয়ারীতে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বীরগঞ্জে দিনব্যাপী কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ  ভাঙ্গুরায় অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,২ জনের কারাদণ্ড রাজশাহীতে সরকারি সেবাদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের হাতে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ

বরিশালে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা দুইজনের ফাঁসি, চার জনের যাবজ্জীবন

রুবিনা আজাদ, আঞ্চলিক প্রতিনিধি, বরিশাল:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন

চাঁদার দাবিতে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার চাঞ্চল্যকর কলেজ ছাত্র সোহাগ সেরনিয়াবাতকে হত্যার সাত বছর পর মামলার দুই আসামির ফাঁসি এবং চারজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় ঘোষণা করেছে আদালত।

একই মামলায় অপরাধ প্রমানিত না হওয়ায় ১০ জনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে বরিশালের জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক টিএম মুসা আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদন্ড পাওয়া আসামিরা হলো-উজিরপুরের সন্ত্রাসী দাদা বাহিনীর প্রধান জিয়াউল হক লালন ও তার সেকেন্ড ইন কমান্ড রিয়াদ সরদার। যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলো-মামুন, ইমরান, বিপ্লব ও ওয়াসিম সরদার।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদী পক্ষের আইনজীবী এটিএম আনিসুর রহমান বলেন, নিহত সোহাগ উজিরপুর পৌর এলাকার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দ ও দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছিল। এলাকায় তার একটি পোশাকের দোকান ছিলো। ২০১৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটার দিকে আসামিরা উজিরপুরের রাখালতলা এলাকায় সোহাগকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে। এর আগে বিভিন্ন সময় সোহাগের কাছে আসামিরা এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিলো। তাদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা না পাওয়ার সোহাগের দোকানে হামলা চালিয়ে ভাঙচুরসহ সোহাগকে কুপিয়ে হত্যা করে।
এ ঘটনায় নিহতের মামা খোরশেদ আলম বাদি হয়ে ১৩ জনকে আসামি করে উজিরপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেফতার করেন। মামলার অধিকতর তদন্ত শেষে পুলিশ ওই বছরের ২২ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ৩১ জন স্বাক্ষর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক উল্লেখিত রায় ঘোষণা করেন। রায়ে সন্তুটি প্রকাশ করেছেন নিহতের বাবা ফারুক হোসেন সেরনিয়াবাত ও মা শাহনাজ পারভীন।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর