পাইকারী ব্যবসায়ী সেলিম হোসেন জানান,গত বছর ১০০টি তাল কিনতে যেখানে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা খরচ হতো,সেখানে এবার একই পরিমাণ তাল কিনতে গুনতে হচ্ছে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা।ফলে খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে।বর্তমানে আকারভেদে প্রতিটি কচি তাল,যার ভেতরে থাকে তিনটি শাঁস,বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকায়। আবার অনেক স্থানে প্রতি পিচ তালশাঁস ১০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
সলঙ্গা বাজারের ক্রেতা নাসির উদ্দিন বলেন,গরমে তালশাঁস খেতে খুব ভালো লাগে।নিজেরা খাওয়ার পাশাপাশি পরিবারের ছোটদের জন্যও নিয়ে যাচ্ছি।এটি যেমন সুস্বাদু,তেমনি স্বাস্থ্যকর।আরেক ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন,মেয়ের জন্য তালশাঁস কিনতে এসেছি।মৌসুমি ফল হিসেবে এটি বেশ পছন্দের।
বিক্রেতারা জানান,গরম যত বাড়ছে, তালশাঁসের বিক্রিও তত বাড়ছে। দুপুরের দিকে সবচেয়ে বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যায়।অনেকেই পথ চলতে চলতে তালশাঁস খেয়ে শরীর ও মনকে কিছুটা হলেও প্রশান্তি দিচ্ছেন।
প্রচণ্ড গরমে এই সময়ে সলঙ্গার মানুষের কাছে কচি তালশাঁস যেন শুধু একটি মৌসুমী ফল নয়,বরং গরম থেকে স্বস্তি পাওয়ার এক প্রাকৃতিক ও সুস্বাদু উপায় হয়ে উঠেছে।