সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদপ্রার্থী কাজল আনসারি নান্দাইলে আন্তঃস্কুল রচনা প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত পারখিদিরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ “গোপালপুরের হেমনগর জমিদার বাড়ি” স্বেচ্ছাসেবী ও শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে পরিষ্কার অভিযান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রত্যাশা বর্তমান সরকার তৃণমূল পর্যায় থেকে দক্ষ খেলোয়াড় তৈরিতে কাজ করছে: এমপি আমিরুল ইসলাম খান আলিম অপরাধীরা যে দলেরই হোক কেউ যেন ছাড় না পায়- আব্দুল আজিজ এমপি দিনাজপুরে ৪৯৯ তম কাব স্কাউট ইউনিট লিডার অ্যাডভান্সড কোর্স সম্পন্ন ঝুঁকিপূর্ণ রেলক্রসিংয়ে প্রতিদিন মৃত্যুফাঁদ, নওয়াপাড়ায় আতঙ্কে যাত্রী ও চালকরা

ঝুঁকিপূর্ণ রেলক্রসিংয়ে প্রতিদিন মৃত্যুফাঁদ, নওয়াপাড়ায় আতঙ্কে যাত্রী ও চালকরা

মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর(যশোর):
আপডেট সময়: সোমবার, ৪ মে, ২০২৬, ৯:২৭ অপরাহ্ন

খুলনা-যশোর মহাসড়কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম এলাকা নওয়াপাড়া এখন পরিণত হয়েছে এক ভয়ংকর ঝুঁকিপূর্ণ জোনে। নৌ-বন্দর কেন্দ্রিক এই অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রতিদিন শত শত ট্রাক, বাস ও পণ্যবাহী যান চলাচল করলেও, বেঙ্গল গেট ও ভাঙাগেট রেলক্রসিংয়ের বেহাল দশা পথচারী ও চালকদের জন্য সৃষ্টি করেছে চরম ভোগান্তি ও দুর্ঘটনার আশঙ্কা। নওয়াপাড়া বন্দর থেকে ধান, চাল, গম, কলা, সারসহ বিভিন্ন পণ্য দেশের নানা প্রান্তে পরিবহনের জন্য এই মহাসড়কই প্রধান ভরসা। একই সঙ্গে খুলনার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হওয়ায় সড়কটিতে সারাক্ষণ যানবাহনের চাপ লেগেই থাকে। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের রেলক্রসিং অংশগুলোতে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত, আর রেললাইনের তুলনায় সড়ক নিচু হয়ে যাওয়ায় ঝুঁকি বেড়েছে বহুগুণ। স্থানীয়রা জানান, রেলক্রসিং পার হতে গিয়ে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। যানবাহন ধীরগতিতে চললেও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছে চালকরা। বিশেষ করে বৃষ্টি হলে পানি জমে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। সরেজমিনে দেখা যায়, ভাঙাগেট রেলক্রসিং এলাকায় যানবাহনের অতিরিক্ত চাপের কারণে সড়কের দুই পাশ ভেঙে গেছে এবং রেলের পাট উঁচু হয়ে রয়েছে। ফলে রেললাইন পার হওয়ার সময় যানবাহন ভারসাম্য হারিয়ে এদিক-সেদিক সরে যাচ্ছে। ট্রাকচালক মশিয়ার রহমান বলেন, রেললাইন থেকে সড়ক নিচু হয়ে যাওয়ায় গাড়ি নিয়ন্ত্রণে রাখা খুব কঠিন হয়ে পড়ে। মনে হয় যেন গাড়ি উল্টে যাবে। বৃষ্টি হলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। এলাকার ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ মাঝে মাঝে দায়সারাভাবে মেরামত করে। কিন্তু কিছুদিন পর আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। দ্রুত সংস্কার না করলে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।এবিষয়ে রেলওয়ে যশোরের সহকারী নির্বাহী প্রকৌশলী মো. চাঁদ আহমেদ জানান, আমরা নিয়মিত মেরামতের মাধ্যমে সড়ক চলাচলের উপযোগী রাখার চেষ্টা করছি। তবে প্রতিকূল আবহাওয়া ও অতিরিক্ত ভারী যানবাহনের কারণে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। দ্রুত খারাপ অংশগুলো সংস্কার করা হবে। গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কের রেলক্রসিংগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলমান অব্যবস্থাপনা ও অস্থায়ী মেরামত জনদুর্ভোগ বাড়িয়ে তুলেছে। প্রতিদিন শত শত যানবাহন ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছে, যা যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। তাই দ্রুত স্থায়ী সংস্কার কার্যক্রম গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর