সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সাঙ্গুনদীতে ফুল নিবেদনের মধ্যে দিয়ে বিজু উৎসব শুরু বাসাইলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের অংশগ্রহণে ইমাম সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ১২ ‘শ’ লিটার ডিজেল জব্দ: জরিমানা আদায় ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাবেক পৌর কাউন্সিলর নিহত: আহত এক গোপালপুরে শাখারিয়া খাল পূর্ণ খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এমপি সালাম পিন্টু আটঘরিয়ার মাজপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ মন্ডল, সম্পাদক মোজাহারুল

দু’জনকে গাছের সাথে হাত-পা বেঁধে শিকল পড়িয়ে অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ 

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৩ অপরাহ্ন

প্রেমের টানে প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসেছিলেন যুবক কবিরুল ইসলাম। কিন্তু বিধি বাম। এক ঘরে সময় কাটানো অবস্থায় এলাকাবাসীর হাতে-নাতে ধরা পড়ে তারা। তারপর তাদের দুজনকে গাছের সাথে হাত-পায়ে দঁড়ি ও শিকল বেঁধে নির্যাতন করেন স্থানীয়রা। এমন একটি ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

 

বুধবার (০৪ মার্চ) সকালে পাবনার ঈশ্বরদীত উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারী খড়েরদায়ের গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার কাঠালপাড়া এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে কবিরুলের সঙ্গে ওই গ্রামের সুমি খাতুন নামে এক তরুণীর পূর্বপরিচয় ছিল। অভিযোগ রয়েছে, এর আগেও ওই তরুণীকে ঘিরে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) কোনো এক সময় কবিরুল ওই তরুণীর বাড়িতে আসেন এবং সেখানে রাত্রীযাপন করেন বলে স্থানীয়দের দাবি।

 

বুধবার সকালে একটি ঘরের ভেতরে তাদের একসঙ্গে দেখতে পেয়ে সন্দেহ হলে এলাকাবাসী হাতেনাতে আটক করে। পরে উত্তেজিত জনতা তাদের দু’জনকে গাছের সঙ্গে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখে।

 

এলাকাবাসীর দাবি, এ ধরনের ঘটনা যেন ভবিষ্যতে না ঘটে সেজন্য সামাজিকভাবে কঠোর অবস্থান নেওয়া প্রয়োজন। ঘটনাটি ঘিরে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

 

অভিযুক্ত এই জুটিকে বর্বর কায়দায় হাতে-পায়ে দড়ি দিয়ে বেঁধে ও পায়ে শিকল পড়িয়ে নির্যাতন না করে প্রশাসনের হাতে দেয়া যেতো বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।

 

এ বিষয়ে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এর পাবনা জেলা মনিটরিং অফিসার কামাল আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, এটি একটি অমানবিক কাজ। কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন না। একটি সভ্য রাষ্ট্রে এমন কাজ নিন্দনীয়। যারা এর সাথে জড়িত তাদের আইনের আওতায় আনা উচিত।

 

এ ব্যাপারে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মমিনুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনা জেনেছি। কিন্তু ঘটনাস্থল আমার না হওয়ায় বিষয়টি সদর থানাকে জানানো হয়েছে।

 

এদিকে পাবনা সদর থানার ওসি দুলাল হোসেন বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই। আপনার কাছে প্রথম শুনলাম৷ খোজখবর নিয়ে দেখছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর