শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় মহানবী(সা:) এর ভৃমিকা – মুফতি মাওলানা: শামীম আহমেদ

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন

ইনসাফ এমন এক মহৎ গুণ, যা মানুষকে প্রিয়ভাজন করে তুলতে সাহায্য করে। প্রিয় নবী (সা.)-এর মাঝে ইনসাফ ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ের। তিনি ছিলেন ন্যায় ও ইনসাফের প্রতীক। আল্লাহ তাআলা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করার জন্য বলেছেন।
তাই তিনি তাঁর পুরো জীবনে সমাজে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করে দেখিয়ে দিয়েছেন। নবুয়তপ্রাপ্তির পূর্বে এবং নবুয়তপ্রাপ্তির পরেও রাসুল সমাজে ইনসাফ ও নিষ্ঠা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। স্বয়ং মহান আল্লাহ তাআলা কোরআনে কারিমে স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা ইনসাফের নির্দেশ প্রদান করেছেন। ’ (সুরা : নাহল, আয়াত : ৯০) অন্য আয়াতে এসেছে, ‘হে মুমিনরা, তোমরা আল্লাহর (বিধানাবলি পালনের) জন্য সদাপ্রস্তুত হয়ে যাও (এবং) ইনসাফের সঙ্গে সাক্ষ্যদানকারী এবং কোনো সমপ্রদায়ের প্রতি শত্রুতা যেন তোমাদের ইনসাফ পরিত্যাগে প্ররোচিত না করে।
ইনসাফ অবলম্বন করো। এ পন্থাই তাকওয়ার বেশি নিকটবর্তী। এবং আল্লাহকে ভয় করে চলো। নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের যাবতীয় কাজ সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে অবগত। ’ (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৮)
আয়াতে ন্যায়-ইনসাফ অর্থে দুটি শব্দ এসেছে। ‘আদল ও কিসত’ যা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। বোঝানো হচ্ছে, সাক্ষ্যদান, বিচার-নিষ্পত্তি ও অন্য আচার-আচরণ হতে হবে সব রকম কমবেশি ও বাড়াবাড়ি-ছাড়াছাড়ির প্রান্তিকতা থেকে মুক্ত একদম পরিমাণমতো মাপাজোখা। এটা বান্দার হক। শত্রু-মিত্র কারো ক্ষেত্রেই এ হক আদায়ে গড়িমসি করার সুযোগ নেই।
এমনকি আল্লাহর ঘোর দুশমন কাফের-অমুসলিমও যদি হয়, তার সঙ্গেও ন্যায়-ইনসাফ রক্ষা করা অপরিহার্য। সে আল্লাহর দুশমন এই ভাবনায় তার প্রতি বেইনসাফির আচরণ করা হলে তা হবে ইসলামী শরিয়তের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এবার চিন্তা করুন, যারা আল্লাহর বন্ধুজন ও তাঁর প্রিয়পাত্র, সেই মুমিন-মুসলিমের সঙ্গে ইনসাফ রক্ষায় যত্নবান থাকা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। (তাওজিহুল কোরআন) নবুয়তপ্রাপ্তির আগে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর