শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নিখোঁজ জুয়ারির সাত দিন পর কঙ্কাল উদ্ধার

শরিফুল ইসলাম, নিজস্ব প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন

পুলিশের ধাওয়া খেয়ে নিখোঁজ হওয়া জুয়ারির মৃতদেহের কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে নিখোঁজের সাত দিন পর। বিষয়টি খুবই অদ্ভুত এবং রহস্যে ঘেরা মনে করছেন অনেকেই।  এদিকে মূল রহস্য উদঘাটনে মাঠে কাজ করছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক টিম। ঘটনাটি ঘটেছে পাবনা বেড়া থানার নতুন ভারেঙ্গা  ইউনিয়নের চরসাফুল্লা এলাকায়।
গত ২১শে সেপ্টেম্বর বিকেলে নগরবাড়ি খেয়াঘাট হতে নৌকা যোগে চরসাফুল্লা এলাকায় জুয়া খেলতে জান আমিনপুর থানার ঢালারচর ইউনিয়নের কাজীপাড়া গ্রামের বাসিন্দা জিয়া কাজী।
ওইসময় বেড়া থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল  সেখানে অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় দৌড়ে পালানোর সময় চারজনকে আটক করেন বেড়া থানা পুলিশ। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অন্যদের মত জিয়া কাজীও পালিয়ে যায়। কিন্তু তারপর থেকেই জিয়া কাজীর কোন সন্ধান করতে পারেননি তার পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার পর দিন অর্থাৎ ২২শে সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হওয়া জিয়া কাজীর স্বজনেরা আমিনপুর থানায় একটি হারানো ডাইরি অন্তর্ভুক্ত করেন। ওই ঘটনার পর থেকেই জিয়া কাজীর পরিবার আত্মীয়-স্বজন এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর একাধিক লোকজন ঘটনা স্থল এবং এর আশপাশে ব্যাপক হারে খোঁজ করতে থাকেন। কিন্তু কিছুতেই নিখোঁজ হওয়া জিয়া কাজীর সন্ধান মেলে না। ঘটনার সাত দিনের মাথায় অর্থাৎ ২৭ এ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর ঘটনাস্থল থেকে একটি কঙ্কাল উদ্ধার করেন বেড়া থানা পুলিশ। সেই সাথে উদ্ধার করেন পাশেই পড়ে থাকা একটি ছেড়া লুঙ্গি এবং গেঞ্জি। উদ্ধার হওয়া সেই ছেরা লুঙ্গি ও গেঞ্জি দেখে নিখোঁজ হওয়া জিয়া কাজীর পরিবার শনাক্ত করেন এটাই তাদের নিখোঁজ হওয়া জিয়া কাজীর লাশ। পরে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া কঙ্কালটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়।
এদিকে বেড়া থানার অফিসার ইনচার্জ হাদিউল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান ময়নাতদন্ত শেষে হয়তোবা মূল ঘটনার রহস্য উদঘাটন হতে পারে। এবং সেই সাথে এটা যদি হত্যাকাণ্ড হয় সেই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ব্যক্তিদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর