রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
বাসাইলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের অংশগ্রহণে ইমাম সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে টাঙ্গাইলে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ মিছিল সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে ১২ ‘শ’ লিটার ডিজেল জব্দ: জরিমানা আদায় ঝালকাঠিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাবেক পৌর কাউন্সিলর নিহত: আহত এক গোপালপুরে শাখারিয়া খাল পূর্ণ খনন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন এমপি সালাম পিন্টু আটঘরিয়ার মাজপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাসুদ মন্ডল, সম্পাদক মোজাহারুল সাপাহারে ‘রোস্টিং সেন্টার’ ফেসবুক পেজের অপপ্রচারের বিরুদ্ধে মানববন্ধন গুরুদাসপুরে কলেজে কাফনের কাপড় পার্সেলে আতঙ্ক

নৈশপ্রহরী-পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৭

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ৪ মে, ২০২৩, ৮:৫২ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার জিকেএস জুনিয়র গার্লস হাই স্কুলে দুই পদে নিয়োগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের সংঘর্ষে সাতজন আহত হয়েছেন। নিয়োগপ্রক্রিয়া বন্ধের দাবিতে এরই মধ্যে মো. আক্তার হোসেন নামের এক অভিভাবক সদস্য জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করেছেন।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, উপজেলার সদর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে জিকেএস জুনিয়র গার্লস হাই স্কুলে নৈশ প্রহরী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। কিন্তু এ নিয়ে অভিযোগ ওঠে- কমিটির সভাপতি মো. রেজাউল করিম ও প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম গোপনে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। পরে আজ ছুটির দিনে সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক নিয়োগপ্রক্রিয়ার কার্যক্রম চালালে উত্তেজিত এলাকাবাসী স্কুল ঘিরে ফেলে। উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের একপর্যায়ে সভাপতি রেজাউল গ্রুপের সঙ্গে তার প্রতিপক্ষ সেলিম গ্রুপের সংঘর্ষ শুরু হয়। এই ঘটনার পর প্রধান শিক্ষক মুঠোফোনে ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে সহায়তা চান সংঘর্ষ ঠেকানোর জন্য। খবর পেয়ে চেয়ারম্যান মো. বাবুল শেখ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। তার সামনেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে স্কুলের বিভিন্ন কক্ষে তালা লাগিয়ে দেন। এ নিয়ে ওই এলাকায় উভয় পক্ষের মাঝে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জিকেএস জুনিয়র গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, নিয়োগের কার্যক্রম চালানোর জন্য স্কুলে কাজ করছিলাম। এমন সময় সভাপতি রেজাউল করিমের গ্রুপের সঙ্গে তার প্রতিপক্ষের সংঘর্ষ হয়। পরে চেয়ারম্যান এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

সভাপতি মো. রেজাউল করিম বলেন, এটা তেমন কিছু না। সব ঠিক হয়ে যাবে।

ইউপি চেয়ারম্যান মো. বাবুল শেখ বলেন, সংঘর্ষের পর আমি স্কুলে যাই। গোপন প্রক্রিয়ায় সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক নিয়েগের চেষ্টা চালালে উত্তেজিত এলাকাবাসী স্কুলে গিয়ে নিয়োগ বন্ধের দাবি জানালে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর