সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’ রাণীনগরে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেড়িয়ে প্রাণ গেল কিশোরের! আহত ৫ ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল ৩৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

উল্লাপাড়ায় সড়ক যাগাযাগ ক্ষত্র নব দিগÍর সূচনা, গ্রাম জনপদ উনয়নর ছাঁয়া

চলনবিলের আলো নিজস্ব প্রতিবেদক:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জর উল্লাপাড়া উপজলায় গত ৮ বছর স্ানীয় সরকার প্রকশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) ৪শ’৩০ কিলামিটার বিভিন ধরনর নতুন পাকা সড়ক নিমার্ণ করছ। এত ব্যায় হয়ছ ২শ’৫০ কাটি টাকা। এসব সড়ক নিমার্ণর কারণ উপজলার  গ্রাম জনপদ দীর্ঘদিনর দূভার্গ যমন দুর হয়ছ। তমনি মানুষর সহজ যাতায়ত নিশ্চিত সহ গ্রাম মিলছ শহরর সুযাগ সুবিধা। গ্রামীণ অর্থনীতি হয়ছ গতিশীল শক্তিশালী।
উল্লাপাড়া উপজলার কয়ড়া ইউনিয়নর জঙ্গলখামার। বহৎ এই গ্রামটির সিংহভাগ ভাগ মানুষ কষি পশার সাথ জড়িত। ফসল চাষাবাদ আর গা-খামার কর জিবীকা নিবার্হ কর বশিরভাগ মানুষ। এই গ্রাম একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও রয়ছ। গ্রামটির চলাচলর একমাত্র মাটির সড়কটি যুগর পর যুগ ধর বিপর্যস্ত ছিল। দুই পাশ ভঙ্গ সরু হালট পরিনত হয়ছিল। এমন অবস্ায় যানবাহন চলাচল করা অসম্ভব হয় পড়ছিল। সামান্য ঝর-বষ্টিত পুরা সড়ক কাঁদা হয় যত। দীর্ঘদিন এমন সমস্যর কারন গ্রামর কষকরা কান মালামাল আনত পারতা তা। ছল ময়রা স্ুল যত কষ্ট পাহাতা। চলতি বছর প্রায় ১ কিলামিটার সড়টি পাকা করন করা হয়ছ। এত দুর হযছ গ্রামটির দুই হাজার মানুষর দীর্ঘদিনর সব দূভার্গর। এখন চলাচল করছ সব ধরনর যানবাহন। এই গ্রামর দুগ্ধ ব্যবসায়ী মা.মতিন মিয়া জানান,আমি প্রতিদিন গ্রামর খামারীদর কয়ক মন গরুর দুধ সংগ্রহ কর মিল বিক্রি করি। রাস্তাটি এমন খারাপ ছিল য দুধ সংগ্রহ কর তা ভ্যান ঠল নিয় যাওয়া কষ্ট কর ছিল। এখন সড়কটি পাঁকা করায় খুব ভাল হয়ছ। দুধ সংগ্রহ কর নিশ্চত মিল কারখানায় নিয় বিক্রি করত পারছি। কান সমস্য হছ না।
একই গ্রামর কষক ছলিমউদ্দিন জানান,সড়কটি খারাপ থাকায় আমারা মাঠর ফসল বাড়িত আনত পারতাম না। ফসল বিক্রির জন্য হাট-বাজার নিত পারতাম না। সার-বীজ আনত পারতাম না। এখন পাকা হবার পর আমাদর সই দুঃখ দুর হইছ। আমরা সব সময় মালামাল নিয় আসা যাওয়া করত পারতছি। একই গ্রামর আব্দুল হক জানান,রাস্তা পাকা হওয়াত আমি সিএনজি চালিত অটারিক্সা নিয় সব সময় যাত্রী নিয় আসা যাওয়া করত পারছি। এখন সব মানুষর যাতায়ত খুব সহজ হছ।
একইভাব উল্লাপাড়া উপজলার ১৪টি ইউয়িন গত ৮ বছর প্রতিটি কাঁচা রাস্তার তালিকা তরি কর এগুলা পাকা করন করা হয়ছ। বিশষ কর এ উপজলার চলনিবিল অধ্যুষিত পশ্চিমাঞ্চলর বন্যা কবলিত উধুনিয়া,বড়পাঙ্গাসী,মাহনপুর,বাঙ্গালা ইউনিয়নর ফসলর মাঠর ভিতর দিয় ডুবা সড়ক (সাবমার্জিবল) নিমার্ণ করা হয়ছ। এত বদল গছ গ্রাম জনপদর চিত্র। প্রতিটি গ্রামই পাকা সড়ক নিমার্ণ করায় কষকরা তাদর উৎপাদিত ফসল হাট বাজার বিক্রি,সার-বীজ আনা নয়া,দুগ্ধ বিক্রি সহ য কান মালামাল আনা নয়া করত পারছ। যাগাযাগ ব্যবস্া ভাল হওয়ায় কষকরা উৎপাদিত পণ্যর সঠিক দাম পাছ। রাস্তা পাকা হওয়ায় গ্রামর বাজারই সব ধরনর পণ্য কিনত পাওয়া যাছ। দিন রাত গ্রাম থক যানবাহন চড় দশর য কান প্রাÍ আসা যাওয়া যাছ । ছল ময়রা শহরর স্ুল কলজ আসা যাওয়া করত পারছ। এমন সুবিধার কথা উপজলার প্রত্যÍ এলকার মানুষ কানদিন চিাও করত পারতা না। যাগাযাগ ব্যবস্ার অভূতপূর্ব উনয়নর কারন এখন শক্তিশালী ও গতিশীল হয়ছ এ উপজলার গ্রামীণ অর্থনীতি।
উল্লাপাড়া উপজলা প্রকশলী মা.আবু সায়দ দনিক সংবাদক জানান,গত ২০১৪ সাল থক চলতি বছর পর্যÍ, উল্লাপাড়া উপজলায় জাতীয় সংসদ সদস্য তানভীর ইমামর সার্বিক সহযাগীতায় ৪শ’৩০ কিলামিটার নতুন গ্রামীণ সড়ক পাকা করা হয়ছ। এত ব্যায় হয়ছ প্রায় ২শ’৫০ কাটি টাকা। আরা অনক গ্রামীণ রাস্তা পাকা করনর প্রক্রিয়াধীন রয়ছ। এগুলা শষ হল এ উপজলার পুরা চিত্র পাল্ট যাব।
উল্লাপাড়া-সলঙ্গা আসনর জাতীয় সংসদ সদস্য  তানভীর ইমাম “দনিক সংবাদক” জানান,উল্লাপাড়া উপজলাক দশর মডল উপজলা হিসব গড় তুলত কাজ করছি। মাননীয় প্রধানম্ত্রীর নির্দশ গ্রাম ক শহর রুপ দিত উপজলার সব গ্রামর রাস্তা ঘাট,ব্রীজ-কালভার্ট উনয়নর জন্য আমরা তালিকা কর কাজ করছি। ইতিমধ্য যসব এলাকার রাস্তা পাকা করা হয়ছ সসব এলাকার মানুষ সুবিধা ভাগ করছ। এ উপজলার মানুষর জীবন যাত্রায় পরিবর্তনর ছাঁয়া লগছ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর