মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

তাড়াশ উপজেলায় শস্য চাষের ধুম

মোঃ মুন্না হুসাইন, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলায় সরিষা চাষের ধুম পড়েছে,তাড়াশের চলন বিলে পানি নামার সাথে সাথে কৃষকরা ব্যস্ত হয়ে পড়েছে সরিষা চাষের জন্য। তাড়াশ উপজেলায় নওগাঁ ইউনিয়ন মহেশরৌহালি বিলে এই দৃশ্য দেখা গেছে। কেউ জমিতে কচু সাপ করছে কেউ জমিতে আল কাটছে,আবার কেউ পাওয়ার টিলার দিয়ে কৃষি জমি চাষ করছে সরিষা চাষের উপযোগী করার জন্য,আবার কেউ আবার পাওয়ার টিলার খোঁজার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে পড়েছে জমিতে চাষ করার জন্য তা না হলে সরিষার জমি পিছিয়ে যাবে। তাড়াশের চলনবিলের কৃষক যেন এক  মানসিক অস্থিরতা মধ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
সরজমিনে গিয়ে কৃষক মোঃ তোফায়েল ইসলামকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানায় এবারকার বৎসরে আমাদের খুব অবস্থা খারাপ, কারণ এবার চলন বিলের পানি পর্যায়ক্রমে তিনবার এসেছে আবার তিনবার চলে গেছে আমরা পর্যায়ক্রমে তিনবার করে কামলা দিয়ে জমি পরিষ্কার করেছে এতে আমাদের প্রতি জমিতে খরচ হয়েছে প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা,আবারো আমরা শেষবারের মতো পরিষ্কার করেছি এবং পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষ করেছি এবার আমাদের সর্বশেষ আশা, আবারো যদি চলন বিলে পানি দেখা দেয় তাহলে আমাদের জমি বিক্রি করে বউ ছেলেমেয়েকে খাওয়াতে হবে। তোফায়েল ইসলাম আরো বলেন তবে মনে হচ্ছে চলন বিলে আর পানি দেখা দিবে না, না দিলেই ভালো তাহলে আল্লাহ আমাদেরকে বাঁচিয়ে নিবে।
এ বিষয়ে তাড়াশ উপজেলার কৃষি অফিসার লুৎফুন নাহার বলেন এবার আমাদের সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ হেক্টর জমিতে,তিনি আরো বলেন এবার আমাদের তাড়াশ উপজেলার চলনবিলের পানি যেভাবে উঠানামা করেছে তাতে কৃষকরা দুর্ভোগের মুখে পড়ার আশা ছিল তবে আমার মনে হয় কৃষকরা এবার দুর্ভোগের মুখে পড়বে না কারণ তৃতীয় বার পানি খুব দ্রুত গতিতে চলে গেছে এতে কৃষকরা ভালোভাবে সরিষা চাষ করতে পারবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর