শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

আটঘরিয়ায় ৫হাজার ১শ ৬৫ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ

মাসুদ রানা, আটঘরিয়া(পাবনা)প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন

পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় তোশা ও দেশি পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। এবছর আটঘরিয়া উপজেলায় ৫হাজার ১৬ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। পাট পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা। মৌসুমের শুরুতে বিভিন্ন খেতে ভালোফলন হয়েছে। তবে পাট চাষিদের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছেন তারা।

চাষিরা বলছেন, ধার-দেনা করে চাষ করা হয়। তাই ফসল ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই দেনা দাররা হানা দেয়। দাম কম হলেও দেনাদারের পাওনা পরিশোধ করার জন্য পাটে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি করতে হয় তাদের। যার ফলে ইচ্ছে থাকলেও কষ্টার্জিত ফসল থেকে সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করতে পারে না কৃষকরা। এরপরেও ভাল ফলনে খুশি কৃষকরা।

একদন্ত ত্রি-মোহন গ্রামের পাটচাষি ইউনুস আলী দুই বিঘা, হিদাকোল গ্রামের হামিদ হোসেন পাঁচ বিঘা, চৌবাড়ি গ্রামের মুকুল হোসেন ছয় বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। এবার পাট ভালো হয়েছে। এরকম থাকলে মোটামুটি ভাল লাভই হবে।

ফজলুর রহমান নামের আরেক পাট চাষি বলেন, একদন্ত, লক্ষীপুর, দেবোত্তর, মাজপাড়া, চাঁদভা ইউনিয়ন ও পৌর সভায় বেশিরভাগ এলাকায় পাট চাষ হয়। কিন্তু যখন চাষের জন্য বীজ বুনি তখন, পানির খুব সংকট থাকে। তার পরও পাটের ভালো ফলন হয়েছে। বর্তমানে জমিতে যে পরিমান পাট হয়েছে আশা করি ফলনও ভালো হবে। তবে একবিঘা জমিতে পাট চাষ করতে খরচ হয় ১৪-১৫হাজার টাকা। প্রতিবিঘায় পাট উৎপাদন হয় ১২-১৪মণ। খরচখরচাবাদে ভালো টাকাই লাভ থাকে।

মহসিন আলী নামে অন্য এক কৃষক বলেন, বাংলাদেশের জন্য পাট খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অর্থকরী ফসল। কিন্তু আমরা যারা চাষি, তারা এই পাট চাষ করে তেমন লাভবান হই না। ধার-দেনা ও সুদে টাকা এনে চাষ করি। দাম বৃদ্ধির আগেই দেনা পরিশোধের জন্য পাট বিক্রি করে দিতে হয়। পাট চাষিদের বীজ ও সার কেনার জন্য যদি সরকার কিছু সহযোগিতা করত তাহলে চাষিরা খুবই লাভবান হত বলেন দাবি করেন তিনি।

আটঘরিয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব আল মারুফ জানান, উপজেলা পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বেশির ভাগ এলাকায় পাট চাষ হয়েছে। ৫হাজার ১৬৫হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। আমরা চাষিদের সব ধরনের কারিগরি পরামর্শ ও সহযোগিতা করেছি।

 

 

#CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর