শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

শার্শায় ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের স্বপ্ন পানিতে

মো. সাগর হোসেন,বেনাপোল প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন

জলবায়ু পরিবর্তনে সৃষ্ট ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে যশোরের শার্শা উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে আমন ধান সহ বিভিন্ন ফসলি জমি। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন উপজেলার শতশত কৃষকরা। নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে আমন ধান সহ বিভিন্ন রবিশস্য।

তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায় ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে ডুবে গেছে শার্শা উপজেলার নিম্নাঞ্চলের বিভিন্ন ক্ষেতের ফসল। শত শত কৃষকের শেষ স্বপ্ন আমন ধান ডুবে রয়েছে পানিতে। রবি শস্য ও সবজি ক্ষেতের একই অবস্থা। কোথাও হাটু পানি আবার কোথাও মাজা পানিতে হাবুডুবু খাচ্ছে কৃষকের শেষ স্বপ্ন।

শার্শা উপজেলার বেনাপোল, পুটখালী,  বাগআঁচড়া, কাশিপুর এলাকার কাটা ধানসহ শত শত হেক্টর ধান, সরিষা, মসুর সহ সবজি ক্ষেত জমে থাকা পানিতে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়ে পড়েছে। শেষ সম্বল সহ এনজিওর ঋণের বোঝা নিয়ে ক্ষেতে টাকা বসায়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন অনেক কৃষক। এমন পরিস্থিতিতে গভীর চিন্তায় মাথায় হাত উঠেছে তাদের। রবি শস্য সহ ধানের ব্যাপক ক্ষতি কখনো পোষানো যাবেনা বলে জানান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

কৃষকরা আরো বলেন ডুবে যাওয়া এ সমস্ত আবাদি জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পর কিছুটা ধীর গতিতে পানি টানতে শুরু করেছে। পরিপূর্ণ পানি সরে যাওয়ার আগেই চাষিরা সর্বশান্ত হয়ে যাবেন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের পরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সাহায্য সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানান কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

শার্শা উপজেলা কৃষি অফিসার সৌতম কুমার শীল বলেন চলতি বছরে এই উপজেলায় ২০ হাজার ৩৮০ হেক্টর ধান, ২ হাজার ৮৪০ হেক্টর সরিষা এবং ৮৩০ হেক্টর জমিতে  মসুরের আবাদ হয়েছে। ধানের পাশাপাশি সরিষা এবং মসূরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। যা একজন কৃষকের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে। আমরা সব সময় নিম্নাঞ্চলের কৃষকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছি। জমি থেকে পানি নিষ্কাশনের জন্য পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চাষযোগ্য ফসল করতে সার বীজসহ বিভিন্ন সাহায্য সহযোগিতা করা হবে কৃষকদের।

ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে কৃষকের সৃষ্ট এ ক্ষতি পুষাবার নয়। কৃষি ও কৃষককে বাঁচাতে অতি দ্রুত প্রয়োজন সরকারের প্রণোদনা। এ অবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সাহায্য কামনা করেছেন এ অঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর