মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

খাদ্য বিভাগ এ ঢাকা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এর কার্যালয় এ চলছে দুনীতির আখরা দেখার কেউই নেই

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৫ অপরাহ্ন

অমিত হাসান হৃদয়, ঢাকা জেলা প্রতিনিধি:

খাদ্য বিভাগ এ ঢাকা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এর কার্যালয় গেছে কয়েক মাস ধরে চলছে সকল কাজ কর্মে অনিয়ম। ঢাকা জেলা অধিনে সড়ক পথে মাল পরিবহনের জন্য গেছে সেপ্টেম্বর মাসে ০১ তারিখ টেন্ডার আহবান করে যা গেছে সেপ্টেম্বর মাসে ২১ তারিখ দাখিল করে ৩৩ জন ঠিকাদার। ৩৩ জনে একই রেট ও ঘুষ কম হওয়াতে ঢাকা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক টেন্ডার টি বাতিল করে। সেই টেন্ডার এ ৩৩ জন এর কাছে তারা ২০ লক্ষ টা ঘুষ দাবি করে কিছু ঠিকাদার এই ঘুষ দিতে রাজি না হলে পরোক্ষ টেন্ডার টি বাতিল করে।

 

তার পর গেছে নভেম্বর মাসে ০২ তারিখ পুনঃ দরপত্র আহ্বান করলে সেই দরপত্র দাখিল এর তারিখ ছিল গেছে ১৬ নভেম্বর। সেই টেন্ডার এ অংশ গ্রহন করেন ৮৮ জন ঠিকাদার। সেখান থেকে কাগজ পত্র যাচাই বাছাই করে ২৬ জন কে বাদ দিয়ে ৬২ জনের একটা লিষ্ট তাদের নোটিশ বোর্ড এ দেয়। এরপর তাদের আর্থিক প্রস্তাব দেখে সবাই কে জানিয়ে দেওয়ার দরকার ছিল যে কে সবচেয়ে কম দরদাতা। কিন্তু তারা সেটা না করে সরাসরি ২৬ জনের সাথে ৫২ লক্ষ টাকা ঘুষ এর বিনিময়ে সরকারের অর্থিক ক্ষতি করে চুক্তির জন্য ২৬ জনকে গোপনে চিঠি প্রদান করে।

 

এই বিষয় এ ফুড ইন্সপেক্টর বাবুল আকরাম এর সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বিভিন্ন ওজু হাত দেখি কথা এড়িয়ে যান। ঢাকা জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এর সাথে কথা বলার জন্য অনেক অপেক্ষা করে ও তার দেখা মেলে নাই। তার ফোনে একাধিক ফোন দেওয়ার পর তার সাথে যোগাযোগ করতে পারি নাই। এদিকে বাদ পড়া ঠিকাদার দের কাছ থেকে জানতে পারি যে একটা ৩ থেকে ৪ জনের সিন্ডিকেট এর মাধ্যমে ২৬ জনের কাছ থেকে ৫২ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইন্সপেক্টর বাবুল আকরাম ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক জনাব আশরাফুল আলম এই কাজ করেছেন। তারা আরো জানিয়েছেন যে এখানে যারাই কাজ করতে আসে তারা সবাই নাকি এদের দুই জনের কাছে জিম্মি হয়ে যায়। কেউ কিছু বলতে গেলে তার বিল আটকিয়ে রাখে মাসের পর মাস। ঢাকার ভিতরে ২৯৯ জুরাইন এর মতো জন বহুল এলাকায় এই ভাবে তারা কোটি কোটি টাকা দুনীতি করে হাতিয়ে নিচ্ছে তাদের দেখার কেউ নেই। ঠিকাদার দের দাবি এই টেন্ডার বাতিল করে পুনঃ দরপত্র আহ্বান করে এবং তাদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হয়।

 

CBALO/আপন ইসলাম


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর