রবিবার, ০২ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রাণীনগরে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেফতার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে আটঘরিয়ায় জামায়াতের মিছিল-সমাবেশ ৩৬ জুলাই মানুষের অন্তর থেকে মুছে ফেলা যাবে না: এমপি আছগার জুলাইয়ের গণহত্যাসহ সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে গোপালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ সমাবেশ দৌলতপুরে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত  রুহিয়া উপজেলায় ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল ১নং রুহিয়া ইউনিয়নে স্থাপনের জোর দাবি এলাকাবাসীর কনটেন্ট মেকিংয়ে নতুন উদ্ভাবন, সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোড়ন তুলছেন তাড়াশের তরুণ  রোহান শেখ অভয়নগরে ৯ম শ্রেণির ছাত্রীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত

ভাঙ্গুড়ায় বয়স্ক ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলে অর্থ আদায়ের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০, ২:১১ অপরাহ্ন

চলনবিলের আলো বার্তাকক্ষ:

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খান-মরিচ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের সংরক্ষিত আসনের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আলেয়া খাতুনের বিরুদ্ধে বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেয়ার কথা বলে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এর কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গোবিন্দপুর গ্রামের সংরক্ষিত ইউপি সদস্য আলেয়া খাতুন বয়স্ক ভাতার কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে একই গ্রামের বাসিন্দা হতদরিদ্র মোঃ ছায়দার হোসেনের কাছ থেকে তিন হাজার টাকা দাবী করেন।

নিরুপায় হয়ে ছায়দার হোসেনের স্ত্রী ছালেহা খাতুন প্রতিবেশীর নিকট থেকে ধারদেনার মাধ্যমে ১৭০০ টাকা নিয়ে ইউপি সদস্য আলেয়াকে দেন। ভুক্তভোগী ছায়দার হোসেন কান্না কণ্ঠে বলেন, মেম্বার আলেয়া বলেছে, বয়স্ক ভাতা কার্ড পাইতে ৩ হাজার টাকা খরচ লাগবে। আমরা গ্রামের মুখ্য সুখ্য মানুষ কিছুই বুঝি না। নিরুপায় হয়ে তাকে ১৭০০ টাকা দিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কার্ড পায়নি। এ কারণে ছায়দারের স্ত্রী ছালেহা খাতুন গত ২৩ জুলাই ইউএনও বরাবরে অভিযোগ দেন। ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আছাদুর রহমান বলেন, বিষয়টি সমাজসেবা অফিসারের মাধ্যমে তিনি শুনেছেন। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন বলে তিনি জানান।

ইউপি সদস্য আলেয়া খাতুন তার বিরুদ্ধে উথ্থাপিত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বয়স্ক ভাতা কার্ড দেওয়ার নামে আমি কারও কাছ থেকে কোন টাকা নেইনি। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন,ইউএনও মহোদয় বিষয়টি তদন্ত করে দেখতে ছালেহা খাতুনের অভিযোগ খানা আমাকে ফরওয়ার্ড করেছেন। তাই তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

অভিযোগের সত্যতা স¦ীকার করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ আশরাফুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর