মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

সিমান্তে প্রেম – কবি হাবিবুর রহমান

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন

তুহিন কৃষি কাজ করে। নদীতে মাছ ধরে। ছাত্র হিসেবেও ভালো। তার বাড়ি রাজশাহীতে। ভারত সিমান্তের কাছাকাছি সে প্রায়ই যায়। তার জমি গুলো সিমান্ত ঘেষে। দেখতে সুদর্শন। নৌকা নিয়ে তুহিন যিরো পয়েন্টে যায়। ওপারে সুন্দরী ললনা। তুহিনের মনে হয় সব ফুল যেন ওপারে। কাটাতারের ওপারে ফুল। সিমান্ত এলাকায় দু পক্ষের রক্ষী চোখে পড়েনা। প্রকৃতি সুন্দর।
সুন্দরী ললনা। চার চোখের দেখাদেখি। জোড়া ঠোঁটের আপসোস। তুহিন হাত নেড়ে টাটা দিল। মিচকলের মত। মেয়েটিও হাসি দিয়ে সাড়া দিল। পূজা দেয়ার মত। তুহিন এক পেয়ালায় জল পান করতে চায়। কিসের সিমান্ত,প্রেমের ঢেউ লেগে সব এক হয়ে গেছে।
দ্বিতীয় দিন তাদের পূণরায় শুভ দৃষ্টি। পরিচয় ঘটে। নিলিমা। তুহিনের পূজোর ফুল নিলিমা। দুজন দু নৌকায়। কাছাকাছি। হাত হাতকে স্পর্শ করে। মাঝখানে কাটাতার যেন কোলবালিশ। এ কোলবালিশ সরে গেলেই পূর্ণ মিলন। তুহিন নিলিমাকে শুধু দেখতেই থাকে। এমন ফুলে পূজো দিবে সে ভাবেনি। অতুলনীয় সুন্দরী। নিলিমাও লুকিয়ে প্রেম করে। লুকিয়ে লুকিয়ে দেখা করে। কেননা বান্ধবীরা জানলে তার ক্ষতি হয়ে যাবে। তুহিনকে মনে ধরেছে। সে এ দেবতার হাতেই তীরবৃদ্ধ হতে চায়। রক্তাক্ত হতে চায়। রাতেও ঘুম আসেনা নিলিমার। তার ভাংতে চায়। প্রেমের জলে ডুবে যেতে চায়।
মাস কেটে গেল। কোলবালিশটা সড়েনা। দুনৌকার যাত্রী এক নৌকায় উঠতে পারেনা।
নিলিমার খুব সখ এক নৌকায় ঠাঁই নিবেই। তারের ফাঁকে তাদের জোড়া ঠোঁটের মিলন ঘটে। শুধু আপসোস বাড়ে।
তারা ফিরে যায় যার যার বাড়ি।
নিলিমা ঘুমহীন। রাতের শুভ বিদায় হয়না।
সিদ্ধান্ত নেয় নিলিমা, প্রেমের সমাপ্তি চায়। কাটাতার নামক কোলবালিশ সড়িয়ে এক নৌকায় উঠতে চায়।
পরেরদিন সকালে তুহিন নিলিমার নৌকায় শুভ দর্শন।
নিলিমা কাটাতার পেরেয়ি নৌকায় আসে।
তুহিন ও নিলিমাকে বুকে জড়িয়ে নিল। ওপারে খালি নৌকা পরে রইলো। কাটাতার নামক কোল বালিশ প্রেমিক প্রেমিকার মাঝে নেই। ফুল পেয়ে দেবতার পূজো জমে গেল। ফুল ছাড়া জমে না। তুহিনের বাবা মা নিলিমাকে মেনে নিল। ঘর যেন আলোময়। তুহিন ও নিলিমা এক নৌকার যাত্রী। সিমান্তের ফুল তার ঘরে লাগিয়ে খুঁশি, প্রেমেই সুখ। প্রেম কোলবালিশ মানেনা, প্রেম সব বালিশ সড়িয়ে মিলন ঘটালো।

 

কবি হাবিবুর রহমান
সিংড়া,নাটোর,বাংলাদেশ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর