শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

আটোয়ারীতে ইউপি চেয়ারম্যান কর্তৃক ভিজিডি চাল বিতরণে অর্থ গ্রহনের অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১০:০৩ পূর্বাহ্ন

মোঃ জাহেরুল ইসলাম আটোয়ারী(পঞ্চগড়) প্রতিনিধি:

পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার ১নং মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে প্রতিমাসে ভিজিডি চাল বিতরণের সময় কার্ডপ্রতি ১০/- টাকা হারে গ্রহন করার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৭ মে) সরেজমিনে গিয়ে মির্জাপুর ইউনিয়ন পরিষদে ভিজিডি চাল বিতরণে প্রতিকার্ডে ১০/- টাকা হারে গ্রহনের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ইউপি সচিব চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে চাল বিতরণের সময় প্রতি ভিজিডি কার্ডধারীর নিকট হতে নগদ ১০/- টাকা হারে গ্রহন করছেন। ইউপি সচিব বলেন, মির্জাপুর ইউনিয়নে ৩৭৪ জন ভিজিডি কার্ডধারী রয়েছে। চেয়ারম্যানের নির্দেশে প্রতি ভিজিডি সুবিধাভোগীর নিকট হতে ১০/- টাকা হারে নেয়া হচ্ছে। মির্জাপুর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ ওমর আলী বলেন, এলএসডি( খাদ্য গুদাম) হতে চাল নেয়ার সময় প্রতি টণ চালে ৮০০/- করে টাকা দিতে হয়, এ টাকা আমি কোথায পাব। তাই প্রতি ভিজিডি কার্ডধারীর নিকট হতে ১০ /- হারে নেয়া হচ্ছে। এক প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, আসলে কাজটা আমি ঠিক করিনি।

মির্জাপুর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা বলেন, গুদাম হতে চাল বের করতে কুলিদের একটা খরচ আছে। কুলি খরচটা সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান সাহেবরাই দেন। তবে এটা ভাউচার করে পরে টাকাটা তুলতে পারবেন। তাই বলে ভিজিডি কার্ডধারীদের কাছ থেকে টাকা নিতে পারেন না। ভিজিডি সুবিধাভোগী লক্ষীপুর গ্রামের আজিব উদ্দীনের স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, প্রতিমাসে চাল নিতে এসে বস্তার দাম বাবদ ১০/-টাকা করে দিতে হয়। প্রতিকার্ডে প্রতি মাসে ৩০ কেজি ওজনের একবস্তা করে চাল পাই। এপর্যন্ত ১৪ মাস চাল তুলেছি। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন সুলতানা বলেন, এব্যাপারে আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। ভিজিডি কার্ডধারীর কাছ থেকে বস্তা বাবদ অর্থ চেয়ারম্যান গ্রহন করতে পারেন না। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর