শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু
/ ফিচার
নির্মল বড়ুয়া মিলন: মানবধিকার কর্মী বা সাংবাদিকতার সুবাদে অনেক মানুষ আমার ফেইসবুক পেইজে অনেক সদস্যা জানিয়ে আমাকে তাদের ব্যক্তিগত অনেক কথা লিখেন। অনেকে আবার অনেক তথ্য জানতে চান। আমার জানা আরোও পড়ুন...
দয়াল-মায়াবতী বাড়ীতে না আসার কারনে মায়াবতীর মাসি ও মেসো চিন্তায় পড়ে যায়। রাত্রী হয়ে যায় তার পরেও তাদের কোন খোজ খবর না পাওয়ায় তারা রাস্তায় খুজতে বের হন। দুজন দিকে
নজরুল ইসলাম তোফা: মানুষের জীবন সার্থকতা পায় মনুষ্যত্ব অর্জন করে। শিক্ষা বা সাধনার মাধ্যমে বিবেক, বুদ্ধি কিংবা মনন শক্তি জাগ্রত করে মানুষ প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠে। এ পৃথিবীতে তরুলতা, বৃক্ষ,
নজরুল ইসলাম তোফা: মানুষের জীবন সার্থকতা পায় মনুষ্যত্ব অর্জন করে। শিক্ষা বা সাধনার মাধ্যমে বিবেক, বুদ্ধি কিংবা মনন শক্তি জাগ্রত করে মানুষ প্রকৃত মানুষ হয়ে ওঠে। এ পৃথিবীতে তরুলতা, বৃক্ষ,
এদিকে রাজার রাজকার্য্যে মনোনিবেশ করিতে পারছেন না। তিনি শুধু তার সন্তানের চিন্তায় আধমরা হয়ে বসে থাকেন। মন্ত্রী উজিররা এ সুযোগে সামান্য অজুহাতে বাড়ীতে শুয়ে দিন কাটাচ্ছেন। কোন কিছু যেন কারও
মায়াবতীর স্বামী সহ বুবলিদের বাড়ীতে আসায় বুবলির পিতা-মাতা খুবই খুশি হয় । বাড়ীতে বিভিন্ন রকমের খাবারের আয়োজন করে। বুবলির পিতা মায়াবতীর মাসির বাড়িতে খবর জানায় যে, মায়াবতী ও তার স্বামী
আমি মানুষ মানুষেরে ভালোবাসি মানুষের দুঃখে কাঁদি মানুষের সুখে হাসি মানুষে মানুষে ভেদাভেদ পদাঘাতে করি চুরমার বৈষম্যের বিষাক্ত মনন করি কলমের জোরে সংহার মনুষ্যত্বের মশাল জ্বেলে রুধি ঘোর অমানিশা অন্ধকার।
মায়াবতী ও দয়াল কুমার তার চাচা কে নৌকা পর্যন্ত রেখে আছে । তার নৌকায় উঠার পর তারা দুজন সে গ্রামের ধুলো-বালির রাস্তার ধার দিয়ে পায়ে হেটে মাসীর বাড়ীর দিকে আসতে