ড. সত্য প্রসাদ মজুমদারঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১০০ বছর আগে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। এই স্বনামধন্য বঙ্গসন্তানের পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান। আরোও পড়ুন...
১৯২০ সালের ১৭ মার্চের সোনালি সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামের শেখ পরিবারের প্রাঙ্গণ আলোকিত ও মুখরিত হয়ে উঠেছিল একটি শিশুর জন্ম উপলক্ষে। জন্মলগ্নে মা-বাবা ও আত্মীয়স্বজন খুশিতে শিশুটিকে ‘খোকা’ বলে
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীঃ ১৯৭৪ সালের কথা, আমি তখন কলকাতায়। স্ত্রী অসুস্থ। তার চিকিৎসা হচ্ছে ভিকটোরিয়া মেমোরিয়ালের কাছে পিজি হাসপাতালে (এখন নাম পাল্টে গেছে)। আমার দিন কাটে কখনও আনন্দবাজার পত্রিকা অফিসে
এক রক্তাক্ত কালীমাখা দিনের নাম হলো ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫ বঙ্গবন্ধু তুমি ছেড়ে গেছো আমাদের থেকে বহুুদুরে হয়তো তোমার দেখা আমরা পাবোনা মনের গভীরে আজও রেখেছি জতন করে তোমারী নাম। কনোদিন
নিজস্ব প্রতিবেদক: আগস্ট আমাদের শোকের মাস। বেদনার মাস। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী। ১৯৭৫ সালের ওই দিনে স্বাধীনতাবিরোধী কুচক্রী
মোঃ নাজমুল হুদা: ‘আগস্ট’কে আমরা শোকের মাস বলি। এ মাসেই আমরা হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হারিয়েছি। এ মাসে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবকেও হারিয়েছি। একই
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রথম দেখার সৌভাগ্য হয়েছিল স্কুলে পড়ার সময়েই। খুব সম্ভবত ১৯৫৭ সালে ঝিনাইদহে সাংগঠনিক সফরে গিয়েছিলেন। আমার বাবা ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা। তাই মধ্যাহ্নভোজের ব্যবস্থা ছিল আমাদের
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি ঘাতকের নিষ্ঠুর বুলেটে প্রাণ না হারাতেন কিংবা অন্য কোনো কারণে তার যদি মৃত্যু না হতো তবে ২০২০ সালের ১৭ মার্চ তিনি শতায়ু হতেন।