মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

ভাঙ্গুড়ার থামছেই না গরু-মহিষ চুরি

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০১:০২ অপরাহ্ন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় থামছেই না গরু-মহিষ চুরি। মাত্র এক দিনের ব্যবধানে দুই কৃষক পরিবারের দুইটি মহিষ ও চারটি গরু চুরি হয়েছে। গত ২৩ জানুয়ারি ও ২৫ জানুয়ারি রাতের কোন এক সময়ে উপজেলা খানমরিচ ইউনিয়নের মহিষ বাথান ও খানমরিচ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দিশেহারা হয়ে পড়েছে ওই এলাকার অনেক কৃষক পরিবার। একদিনের ব্যবধানে দুই কৃষকের বাড়িতে গরু-মহিষ চুরি হওয়ায় এলাকার জনমনে গরু-মহিষ চুরির আতঙ্ক বিরাজ করছে। এই অবস্থা হতে মুক্তি পেতে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামানা করেছেন ওই এলাকার সাধারণ মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের খানমরিচ গ্রামের আব্দুল জলিল আকন্দ বাড়ির গোলায় ঘর থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতের কোনো এক সময় চারটি গরু চুরি করে নিয়েছে চোরেরা। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। জলিল ওই গ্রামের মৃত ফজেল আকন্দের ছেলে। অপর দিকে তার এক দিন আগে একই ইউনিয়নের মহিষ বাথান এলাকা থেকে মৃত আহম্মদ ফকিরের ছেলে ফজলু ফকিরের বাড়ি থেকে রাতের আধারে দুইটা মহিষ চুরি করে নিয়েছে চোর চক্ররের সদস্যরা। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৬ লাখ টাকা। এতে দুটি পরিবার সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন এবং চরম হতাশায় ভুগছেন। অনেক খোঁজা খুঁজির পরও চুরি হওয়া গরু-মহিষ গুলোর সন্ধান পান নি তারা। এক দিনের ব্যবধানে একই ইউনিয়নের পাশাপাশি গ্রাম থেকে দুইটা মহিষ ও চারটি গরু চুরি হওযার ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। কোনো গ্রামে স্থানীয়ভাবে রাতে গরু চুরি রোধে রাত জেগে পাহারা দিয়ে ঠেকানো যাচ্ছে না এই গরু-মহিষ চুরি।

ঘটনার বিষয়ে খানমরিচা ইউপি চেয়ারম্যান মো: মনোয়ার হোসেন মিঠু বলেন, পর পর দুই কৃষক পরিবারের বাড়ি থেকে গরু-মহিষ চুরি হওয়ার খবর পেয়েছি। গ্রামবাসীকে আরও সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যপারে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নাজমুল হক বলেন, খানমরিচ এলাকায় গরু বা মহিষ চুরি বিষয়ে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ দেন নি। লিখিত অভিযোগ খোঁজ খবর নিয়ে পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তাছাঢ়া উপজেলার প্রতিটা ইউনিয়নে সচেতনতার লক্ষ্যে গরু-মহিষ চুরি রোধে বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর