বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আশারফ জিন্দানী (রহ.) মাজার ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির অনিয়মের প্রতিবাদে চাটমোহরে মানববন্ধন জ্বালানি তেলে কারচুপি রোধে বগুড়ায় ৫ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইয়ের অভিযান আটোয়ারীতে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বীরগঞ্জে দিনব্যাপী কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ  ভাঙ্গুরায় অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,২ জনের কারাদণ্ড রাজশাহীতে সরকারি সেবাদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের হাতে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ

বেড়ায় ৪০ দিনের কর্মসূচিতে অনিয়মের অভিযোগ ইউপি সদস্যর বিরুদ্ধে

পাবনা প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন

পাবনা জেলার বেড়া উপজেলা চাকলা ইউনিয়নে হতদরিদ্রদের জন্য নেয়া চল্লিশ(৪০) দিনের কর্মসূচিতে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।অতি দরিদ্রদের জন্য নেয়া কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে চাকলা ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ আলমগীর হোসেন মনগড়া শ্রমিকদের নামের তালিকা করে এ দুর্নীতি করছে।প্রকল্পের শ্রমজীবীর অতিদরিদ্র-দুস্থদের তালিকায় রয়েছে সুস্থ-সচ্ছলদের নাম।রয়েছে ইউপি সদস্যর এর মনগড়া ভুয়া নাম মোবাইল নম্বর।

একজন শ্রমিক প্রতিদিন কাজের পারিশ্রমিক হিসেবে ৪শ’ টাকা হারে মোট ৪০ দিন কাজ করে এ প্রকল্পের একজন শ্রমিক এর পারিশ্রমিক মোট ১৬ হাজার টাকা।

ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন,কাজ না করিয়ে টাকা উত্তোলন এর উদ্দেশ্যে জিকরুল হোসেন নামের এক ব্যাক্তির নাম,মোবাইল নম্বর ভোটার কার্ড ব্যাবহার করে তালিকায় নাম দিয়ে টাকা উত্তোলন করেন।

অভিযোগ করে জিকরুল নিজেই বলেন,৪০ দিনের কর্মসূচির কাজে আমার নাম দিয়েছে ভোটার কার্ড মোবাইল নম্বর দিয়েছি,কাজ করিনি।মেম্বার বলছে যে কাজে নাম দিয়েছি,তোর কাজ করা লাগবে না।অর্ধেক টাকা তোকে দেবো।বললাম আমি গরীব মানুষ কাজ না করেই যদি অর্ধেক টাকা দেন উপকার হয়।দুইবার টাকা তুলছে।যারা যারা কাজ করছে ওরা বললো দুইবার টাকা তুলছি আমরা ১৬ হাজার টাকা।মেম্বার কে বললাম ভাই ওরা দুইবার টাকা তুলছে আমার টাকা কোথায়।মেম্বার বললো তোকে শেষবার দিবো।ওদের বললাম ওরা বললো ৪০ দিনের কাজ তো শেষ,শেষবার আবার কবে দিবে।মেম্বার আমার নাম দিয়ে টাকা তুলে নিচ্ছে। স্থানীয় কয়েক জন আমার ভাই সহ রাতে বসছিলাম বললো টাকা দিবে। চাকলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী সরদার বলেন,বিষয় টা আমার জানা ছিলো না। তার সাথে কথা বলে দেখি ঘটনা কতখানি সত্য।না জেনে কোনো মন্তব্য করা যাবে না।ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন,সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,জিকরুল এর নাম দেওয়া হয়েছে ও কাজ করছে।আগের কাজ এর টাকাই অনেকে পায়নি।আগের কাজের মাত্র ৭০ জন টাকা পেয়েছে।অফিস থেকে টাকা দেয় না।ধারদেনা করে জীবন যাপন করছে মানুষ।এ করুণ ইতিহাসের কথা শুনলে চোখে পানি চলে আসে।আপনারা অফিসে আসেন তদন্ত করে দেখেন। বেড়া উপজেলা নিবার্হী অফিসার বলেন,এ বিষয় নাম ঠিকানা নোট করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর