শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি কক্সবাজারে খোরশেদ হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ৫, নেপথ্যে ছিল ছিনতাইয়ের চেষ্টা ভাঙ্গুড়া পৌরসভার উদ্যোগে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে বিনামূল্যে র‍্যাবিস ভ্যাকসিন বিতরণ সাপাহারে গনহত্যা দিবদ উপলক্ষ্যে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গোপালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃ*ত্যু শশুড় বাড়িতে গিয়ে নিখোঁজের দুইদিন পর নদীতে মিলল জাহিদের মরদেহ, দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন হেমনগরে বেলুয়া প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ জমকালো ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী  অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন

খুটাখালীতে মৎস্যঘেরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ০১:১৮ অপরাহ্ন

চকরিয়া উপজেলার খুটাখালীতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি হয়েছে। সংঘবদ্ধ ডাকাতেরা লুট করে নিয়ে গেছে অর্ধশতাধিক ছাগল। শ্রমিকদের মারধর ও বাসায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
সৌরবিদ্যুতের প্লেট, ব্যাটারি, ব্যবহারের মোবাইল, লুঙ্গি, লবণমাঠের পলিথিনসহ অন্তত ২০ লক্ষ টাকার মালামালা নিয়ে গেছে সশস্ত্র ডাকাতদল।
রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৭টার দিকে বহলতলী, চিলখালী, চিলখালী ছোটচর, চিলখালী বড়চরে এ ঘটনা ঘটে।
ডাকাতদের বেপরোয়া মারধরে ২৫ জন মতো শ্রমিক আহত হয়েছে। তাদের কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে।
তারা হলো, জাহাঙ্গীর আলম, নুরুল আলম, আরমান, জালাল আহমদ, সাহাব উদ্দিন। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসাধীন।
ডুলাহাজারা কাটাখালীর ইউনুছ, এনাম, মো. কালু, সোনাইয়া, রহিম, মোস্তাকসহ ৪০ জনের মতো সশ্রস্ত্র ডাকাতদল এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে। তাদের অনেকের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা রয়েছে।
আহত শ্রমিক সাহাব উদ্দিনসহ অনেকেই বলেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠার আগেই সশস্ত্র ডাকাতদল মৎস্যঘেরে হানা দেয়। এলোপাতাড়ি মারধর করে। সৌরবিদ্যুতের প্লেট, ব্যাটারি, ব্যবহারের মোবাইল, লুঙ্গি, লবণমাঠের পলিথিনসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু গুলিরমুখে লুট করে নিয়ে গেছে।
ডাকাতদের অধিকাংশ চিহ্নিত। সবার হাতে আধুনিক অস্ত্র ছিল। তাই প্রতিরোধ করা সম্ভব হয় নি। অনেকটা নির্বিকার ও অসহায় ছিল মৎস্যঘেরের শ্রমিকেরা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী রবিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সোয়া ৪টার দিকে মুঠোফোনে বলেন, এখনো পর্যন্ত এ বিষয়ে কেউ আমাদের জানায় নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোন অপরাধীকে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।
ঘের মালিকদের অভিযোগ, প্রতি মৌসুমেই এভাবে হানা দেয় ডাকাতদল। শ্রমিকদের মারধর কর। লুটপাট চালায়। প্রভাবশালীদের শেল্টার পেয়ে ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে চিহ্নিত অপরাধীরা। এতে মৎস্যখাতে হাজার কোটির টাকার বিনিয়োগ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। জানমালের নিরাপত্তা ও ডাকাত দমনে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগিরা।
হাজি রমজান আলী, হাজি আবদুল গফুর, মৃত হাজি আবদুর রশিদ, মৃত মোহাম্মদ শফি, মৃত ছগির আহমদ, আবদুল মতলব, আবদুল আওয়াল মেম্বার, শহিদু, মাওলানা আবু বকর, মাওলানা নাছির উদ্দিন, হাজি মকতুল হোসেন, মোহাম্মদ আলম, ছৈয়দ আলম, ঈদুল আমিন, মিছবাহ, নুর আহমদ আনচারি, মনজুর আলম মেম্বার, এডভোকেট আবদুল হামিদসহ শতাধিক ঘের মালিক ডাকাতদলের নিকট জিম্মি। বারবার ডাকাতির পরও তারা কোন ধরণের প্রতিকার পান না। নিরবে কাঁদে বিচারের বাণি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর