বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন

ই-পেপার

শিরোনাম :
শিরোনাম :
নির্বাচন সামনে রেখে গোপালপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, উপজেলা প্রশাসনের জরুরী মিটিং  গোপালপুরে সেচ মিটার চুরি সদস্য আটক করেছি জনতা- বোরো চাষ হুমকিতে, চোর চক্রের বিরুদ্ধে কৃষকদের ক্ষোভ শওকত মোমেন শাহজাহানের ১২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধা জানালেন নাজমুল হাসান ব্যস্ত নওয়াপাড়ার অদেখা দখলচিত্র ফুটপাথ থেকে রেললাইন, নূরবাগ এলাকায় ভাড়া নিচ্ছে কে? ৩৫ বছরের শিক্ষকতা জীবন, স্মৃতিতে অমলিন, অশ্রুসজল বিদায়ে বিদায় নিলেন শিক্ষক শ্রীদাম চন্দ্র দাস রাণীনগরে আগুনে দগ্ধ গৃহবধূর লাশ উদ্ধার আটঘরিয়ায় মহিলা দলের উদ্যোগে বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত সহিংসতা প্রতিরোধে রাজশাহীতে ব্লাস্ট ও লফসের জেন্ডার সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত

সংবাদ প্রকাশ করায় দুই সাংবাদিকের নামে চাঁদাদাবীর অভিযোগ

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: শনিবার, ৮ জানুয়ারি, ২০২২, ৫:০৬ অপরাহ্ণ

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নামে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ করা হয়েছে। গত ৬ জানুয়ারী ওই বিদ্যালয়ের কথিত সভাপতি আক্তার হোসেন মল্লিক অভয়নগর থানায় এ অভিযোগ দায়ের করেন।
জানা গেছে অভয়নগর উপজেলার দুইজন সাংবাদিক এস আর শুভরাড়া রানাগাতি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে নিয়মিত  উপস্থিত না হয়ে বেতন উত্তোলন  শিরোনামে গত ৫ জানুয়ারি দৈনিক কালজয়ী পত্রিকায় ও  ৬ জানুয়ারী খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক খুলনাাঞ্চল  “অভয়নগরে বছরের প্রথম ৫ দিনের ৪ দিন বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত প্রধান শিক্ষক” শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয় । ওইদিন ৫ জানুয়ারী সাংবাদিকরা বিদ্যালয়ে যেয়ে প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে পাননি। এ সময়ে হাজিরা খাতায়ও ৪ দিন স্বাক্ষরও নাই। এ সংক্রান্ত সংবাদ পরিবেশন করেন। এরপর ক্ষুব্ধ হন ওই বিদ্যালয়ের বিতর্কিত সভাপতি আক্তার হোসেন মল্লিক। তিনি খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক খুলনাঞ্চল পত্রিকার ষ্টাফ রিপোর্টার রিপন ও দৈনিক কালজয়ী পত্রিকার রিপোর্টার মোহাম্মদ আলীর নামে চাঁদাদাবীর অভিযোগ করেন।
ওই বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি গোলাম নবী জানান,  বিদ্যালয়ের সভাপতি বৈধভাবে নির্বাচিত হয় নাই। যে কারণে অভয়নগর মিনিয়র সহকারী জজ আদালতে মামলা করা হয়েছে। মামলা নম্বর ৫৯৫/২১। আদালত ওই মামলার বিবাদীগনের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেজ্ঞায় ৭ দিনের মধ্যে কারণদর্শানো আদেশ দিয়েছেন।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন “ আমি বিদ্যালয়ের কাজে বাইরে ছিলাম। আমি নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসি। কোন সাংবাদিক আমার কাছে চাঁদা দাবী করে নাই। সভাপতির নিকট চেয়েছেন কিনা আমার জানা নেই।
 বিতর্কিত ওই বিদ্যালয়ের সভাপতি আক্তার মল্লিক জানান “ আমার নিকট সরাসরি কোন সাংবাদিক চাঁদা দাবী করেন নাই, মোবাইল করেছিলো। কত টাকা চাঁদা দাবী করেছিল তা তিনি বলতে পারেন নি।
সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে সাংবাদিকদের নামে চাঁদাবাজির অভিযোগ করায় নওয়াপাড়ায় সাংবাদিকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সাংবাদিকরা ওই বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ে না এসে বেতন ভাতা উত্তোলনের সঠিক তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর