শশুরবাড়িতে গিয়ে নিখোঁজের দুইদিন পর নদীতে ভাসমান অবস্থায় জাহিদ হাসান (৩৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে নিহত জাহিদের পরিবার ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে চাটমোহর রেলবাজারে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
আগেরদিন সোমবার দুপুর ১টার দিকে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার সিলন্দা বাজার এলাকায় বড়াল নদী থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত জাহিদ জেলার চাটমোহর উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের অমৃতকুন্ডা হাটপাড়া গ্রামের কাজেম প্রামাণিকের ছেলে। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে জানা গেছে।
এমন ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবীতে মঙ্গলবার দুপুরে নিহত জাহিদের পরিবার ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে চাটমোহর রেলবাজারে এক মানববন্ধন কর্মসূচী পালিত হয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জাহিদ কয়েকদিন আগে তার শ্বশুরবাড়িতে ফরিদপুর উপজেলার ডেমরা গ্রামে যায়। গত ২০ মার্চ সন্ধ্যা সাতটার দিকে শ্বশুরবাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তিনি নিখোঁজ ছিলেন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পায়নি স্বজনরা।
সোমবার দুপুরে সাঁথিয়া উপজেলার সিলন্দা বাজার এলাকায় বড়াল নদীতে এক যুবকের মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানাজানি হওয়ার পর খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা থানায় গিয়ে লাশ জাহিদের বলে সনাক্ত করেন।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের দেয়া তথ্য অনুযায়ী তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। কেন কি কারনে বা কিভাবে তিনি মারা গেলেন বিষয়টি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নগরবাড়ি নৌ পুলিশ এ বিষয়টির আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে বলে জানান তিনি।
নগরবাড়ি নৌ পুলিশের ইনচার্জ ফকরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা সাঁথিয়া থানায় গিয়ে সুরতাল প্রতিবেদন তৈরি করে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছি। মৃত জাহিদের স্বজনরা একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রাথমিকভাবে আমরা একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছি। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আসার পর পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।