শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

সলঙ্গায় বেড়েছে দর্জিদের কর্মব্যস্ততা

কে,এম আল আমিন, নিজস্ব প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৫:৪৫ পূর্বাহ্ন

 

সলঙ্গায় বেড়েছে দর্জিদের কর্মব্যস্ততা

 

কে,এম আল আমিন :

পবিত্র ঈদকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় মিটার কাপড়ের দোকান ও দর্জিদোকানে এখন চলছে টানা ব্যস্ততা।দিন-রাত এক করে গ্রাহকদের অর্ডার অনুযায়ী নতুন পোশাক তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন দর্জি ও পোশাক কারিগররা। কাজের চাপ এতটাই বেড়েছে যে, ইতোমধ্যেই অনেক দর্জি দোকান নতুন অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।

সলঙ্গা থানাসদর সহ বিভিন্ন ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ হাট-বাজার ঘুরে দেখা যায়, পছন্দের পোশাক তৈরির জন্য দর্জিদের দোকানে ভীড় করছেন ক্রেতারা। গ্রাহকের চাহিদা মেটাতে দর্জিরা এখন ব্যস্ত সালোয়ার-কামিজ,থ্রি-পিস, পায়জামা-পাঞ্জাবি এবং শিশুদের বিভিন্ন পোশাক তৈরিতে।দর্জি দোকানগুলোতে গরগর শব্দে সেলাই মেশিন চলছে প্রায় অবিরাম।

সলঙ্গা বাজারের বরাদ আলী সুপার মার্কেট মক্কা টেইলার্স–এর মালিক নুরুল ইসলাম জানান,রোজার শুরু থেকেই এ বছর পাঞ্জাবির অর্ডার অনেক বেশি।তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করতে কর্মচারীদের নিয়ে টানা কাজ করতে হচ্ছে।

অপরদিকে মদিনা টেইলার্সের মালিক আব্দুল বাতেন বলেন,“ঈদ ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মার্কেট জমজমাট হয়ে উঠেছে।স্বাভাবিকভাবেই আমাদের ব্যস্ততাও অনেক বেড়েছে।মক্কা টেইলার্স এর দর্জি/কারিগর হাফেজ মাহমুদুল হাসান (সৌরভ),সজীব সরকার,রুহুল আমিন,রাকিবুল ইসলাম,আসলাম খান জানায়,সারা বছরের আয়ের একটি বড় অংশই আমরা রমজানের ঈদের পোশাক সেলাই করে পাই।” এদিকে নারী দর্জিরাও পিছিয়ে নেই।বিথী লেডিস টেইলার্স–এর মালিক শহিদুল ইসলাম (ফুলজোড়) জানান,এ বছর আমার ঘরে মেয়েদের অর্ডার খুবই ভালো পেয়েছি।মেয়েদের সালোয়ার- কামিজ ও বোরকার কাজের চাপ এত বেশি যে নতুন অর্ডার নেয়া ইতিমধ্যেই বন্ধ করা হয়েছে।তার দোকানের একজন মহিলা দর্জি সাথী খাতুন বলেন,ঈদ ছাড়াও সারা বছরই মেয়েদের পোশাক তৈরি কাজের চাপ বেশি থাকে।তবে গত বছরের ঈদের তুলনায় অর্ডার এবার আরো বেশি।আশা করছি অর্ডারী কাজগুলো যথা সময়ে গ্রাহকদের হাতে তুলে দিতে পারব ইনশাআল্লাহ।

কদমতলা বগুড়া টেইলার্সের মালিক জোতি বলেন,তাদের দোকানের কর্মচারীরা প্রতিদিন প্রায় ৯ থেকে ১০টি পোষাক সেলাই (তৈরি) করছেন।

স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় এখন অনেক বেশি সময় ধরে কাজ করতে হচ্ছে তাদের।তিনি আরও জানান, বর্তমানে প্রতিদিন একজন দর্জি ( কারিগর) ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত মজুরি পাচ্ছেন।মোহাম্মদ আলী সুপার মার্কেট মোহনা টেইলার্স এর মালিক জানান,শেষ মুহূর্তের অর্ডার সামলাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।তাই নতুন করে অর্ডার নেয়া বন্ধ করে দিয়েছি।তাই ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে ক্রেতাদের ভীড়।

তাই ব্যস্ততার মধ্যেও টেইলার্স মালিক ও দর্জি কারিগররা আশাবাদী—এবারের ঈদের আয় দিয়ে তারা পরিবারের সঙ্গে আনন্দমুখর সময় কাটাতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর