মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
গোপালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃ*ত্যু শশুড় বাড়িতে গিয়ে নিখোঁজের দুইদিন পর নদীতে মিলল জাহিদের মরদেহ, দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন হেমনগরে বেলুয়া প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ জমকালো ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী  অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন”

শিক্ষকদের কোচিং চাপ, টেস্টে ফেল দেখানো, বিতর্কে নওয়াপাড়া বালিকা বিদ্যালয়

মোঃ কামাল হোসেন, অভয়নগর(যশোর):
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১১:২০ অপরাহ্ন

যশোরের অভয়নগরের বহুল আলোচিত নওয়াপাড়া পাইলট বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্য ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, শিক্ষকদের কাছে কোচিং না করলে টেস্ট পরীক্ষায় ইচ্ছাকৃতভাবে ফেল দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হয়। এমনকি এক ছাত্রীর ক্ষেত্রে ফেল দেখিয়ে স্কুল থেকে বের করে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা সাংবাদিকদের বলেন, স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান ও মামুন স্যার দীর্ঘদিন ধরে আমার মেয়েকে তাদের কোচিংয়ে পড়ানোর জন্য চাপ দিচ্ছিলেন। আমাদের সামর্থ্য না থাকায় মেয়েকে বাইরে প্রাইভেটে পড়িয়েছি। এর পর ইচ্ছাকৃতভাবে টেস্ট পরীক্ষায় ফেল দেখিয়ে মেয়েকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। অনুরোধ করলেও কোনো সুযোগ না দিয়ে আমাকে কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, এভাবে পড়ালেখা বন্ধ হলে আমার মেয়ের ভবিষ্যৎ নষ্ট হবে। আমি প্রশাসনের কাছে বিচার চাই। স্থানীয় অভিভাবকদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে কিছু শিক্ষক কোচিং ব্যবসা পরিচালনা করছেন, এবং যারা কোচিংয়ে যোগ দেয় না তাদের হয়রানি ও ফলাফলে বঞ্চনার শিকার হতে হয়।

অভিভাবক সমাজের দাবি, বিষয়টি নিয়ে উপজেলা ও জেলা শিক্ষা দপ্তরের পক্ষ থেকে স্বচ্ছ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে, যেন কোনো শিক্ষার্থী শিক্ষাবঞ্চিত না হয়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,

ওই ছাত্রী টেস্ট পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করেছে। একাডেমিক নিয়ম অনুযায়ী তাকে রাখা সম্ভব হয়নি। কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগ সঠিক নয়।

একাধিকবার ফোন করা হলেও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলামের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সচেতন মহল মনে করে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোচিংয়ের নামে বাণিজ্য, ফলাফল কারসাজি ও শিক্ষার্থী নির্যাতনএসব অনিয়মের সুষ্ঠু তদন্ত এখন সময়ের দাবি। একইসঙ্গে শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ ও পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অধিকার রক্ষায় দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপ প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর