শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
সারাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ভাঙ্গুড়ায় কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ ও মশাল মিছিল গোপালপুরে ইয়াবাসহ নারী-পুরুষ আটক, নারীর ঘর ভাঙচুর-লুটপাট আটঘরিয়ায় দুর্গাপূজা ঘিরে কড়া  নিরাপত্তা জোরদার, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের ব্রিফিং  নাগরপুরে বখাটে ছাত্রর হাতে শিক্ষিকা লাঞ্ছিত  ঈশ্বরদীতে ১২বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা  ঈশ্বরদীর গোয়াল বাথান গ্রামে বিশ্ব গ্রামীণ নারী দিবস পালিত, নারীর অবদান ও অধিকার সুরক্ষার আহ্বান এডওয়ার্ড ফিটনেস ক্লাব পাবনার ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন ‎অভয়নগর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস চলে নিরাপত্তা প্রহরীর ভরসায়, দ্বায়িত্ব অবহেলা কর্মকর্তার 

রাণীনগরে দুই প্রতিবন্ধীর জীবন কাটছে চারদেয়ালের মাঝে

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫, ৭:৩৫ অপরাহ্ন

নওগাঁর রাণীনগরে দুইজন প্রতিবন্ধীর জীবন কাটছে চারদেয়ালের মাঝে। গরীব পরিবারের সন্তান হওয়ায় অর্থাভাবে তাদের পরিবার করাতে পারেনি উন্নত চিকিৎসা। ফলে বহু বছর ধরে চারদেয়ালের ভিতরই কাটছে তাদের জীবন-যাপন।

শনিবার সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নের কাশিমপুর প্রাথমিক স্কুলপাড়ার দিনমজুর নয়ন প্রামানিকের প্রতিবন্ধী ছেলে আকাশ কুমার প্রামানিকের দমবন্ধকর অসহনীয় জীবন-যাপন। আকাশের জন্ম ১৯৯৬ সালে। জন্মের পর থেকেই প্রতিবন্ধী তিনি। অর্থাভাবে ছেলের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করাতে পারেনি আকাশের পরিবার। তাই ২৮ বছরের বেশি সময় একটি পরিত্যক্ত ঘরেই জীবন কাটছে তার। খাওয়া-দাওয়া, প্রসাব-পায়খানা সহ  সবই করতে হয় ঘরেই।

আকাশের মা অলোকা রানী জানান, উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তোবা আকাশ সুস্থ্য হয়ে উঠতো। কিন্তু আমরা গরীব মানুষ পরিবারের অন্য সদস্যদের পেটের ভাত জোটানোই কঠিন। শুধুমাত্র প্রতিবন্ধী ভাতাটুকুই পায় আকাশ। যদি আকাশের উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা পেতাম তাহলে ছেলের উন্নত চিকিৎসা করতাম।

আকাশের বাড়ির পশ্চিম দিকে- আরেক জন প্রতিবন্ধী রয়েছে তার নাম দীপনম সূত্র। সেও জন্ম থেকেই শারীরিক প্রতিবন্ধী। ২০০৬ সালে জন্ম নেওয়া দীপের বাবা একজন ভ্যান চালক। দীপনম সূত্রকে হুইল চেয়ার করে একস্থান থেকে অন্যস্থানে নিয়ে যাওয়া যায়। উন্নত চিকিৎসা পেলে দীপও সুস্থ্য হয়ে উঠতে পারে এমনটিই মনে করছেন দীপের পরিবার।

দীপনম সূত্রের মা চন্দনা নমসূত্র জানান, দীপ তাদের প্রথম সন্তান। দীপ প্রতিবন্ধী হয়ে জন্ম নেওয়ার পর গরীব মানুষ হিসেবে চেষ্টা করেছি চিকিৎসা করাতে। কিন্তু ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ আমাদের পক্ষে যোগানো সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তাই উন্নত চিকিৎসার আশা ছেড়ে দিয়েছি। শুধু প্রতিবন্ধী ভাতাটুকু পায় দীপ। সরকারের অন্য কোন সহযোগিতা এখনো দীপের ভাগ্যে জোটেনি। সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা পেলে ছেলের উন্নত চিকিৎসা করানোর চেষ্টা করতাম। উন্নত চিকিৎসা পেলে হয়তো দীপ কিছুটা সুস্থ্য হয়ে উঠতো।

এ ব্যাপারে রাণীনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম কচি বলেন, ওই দু’জন প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছে। আগামীতে উন্নত চিকিৎসার কোন সুযোগ-সুবিধা আসলে, তাদের জন্য সেই সুযোগ প্রদান করার চেষ্টা করবো। এছাড়া আমাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখলে নানা সময়ে আসা বিভিন্ন সুবিধাও ওদের দিতে চেষ্টা করবো।


আপনার মতামত লিখুন :
এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর