মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

একই পদে দুইজন নিয়োগে জটিলতা নিরসনের দাবী ভুক্তভোগী

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন

গুরুদাসপুর পৌর শহরের চাঁচকৈড় নাজিম উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহকারি গ্রন্থাগারিক পদে ২০০৫ সালে নিয়োগ পাওয়া আলেয়া খাতুনকে বহাল রেখেই ১৪ বছর পর ২০১৯ সালে একই পদে তাসলিমা নামের একজনকে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে নিয়োগের বৈধতা তুলে ধরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে সংবাদ সম্মেলনে ওই অভিযোগ করেন আলেয়া খাতুন। এসময় তার পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে আক্ষেপ করে আলেয়া খাতুন বলেন, তিনি সহকারি গ্রন্থাগারিক পদে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকেই নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অথচ একই পদে বিধি বহির্ভূতভাবে অন্য একজনকে নিয়োগ দেন তৎকালিন সময়ের আওয়ামীলীগ নেতা সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং তার নিজের মামা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ প্রভাষক জয়নাল আবেদীন। ফলে আলেয়ার নিয়োগ সঠিক হওয়া সত্বেও আটকে যায় তার এমপিও। তখন এ ব্যাপারে কথা বললেও কাজ হয়নি। এর সুবিচার চেয়ে তাসলিমার অবৈধ নিয়োগটি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন আলেয়া খাতুন।
এ ব্যাপারে তাসলিমা খাতুনের মুঠোফোনে যোগাযোগ চেষ্টা করলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জানা যায়, ১৯৯৫ সালের নিয়োগ বিধি অনুযায়ী সহকারি গ্রন্থাগারিক পদে আলেয়া খাতুনকে নিয়োগ দেয় তৎকালিন পরিচালনা পর্ষদ। ১৪ বছর পর একই পদে ২০১৯ সালের ২৫ অক্টোবর তাসলিমা খাতুন নামের আরেক নারীকে নিয়মভঙ্গ করে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর থেকে একই পদে দুই নারী হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে আসছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষক বলেন, সেসময় আলেয়া খাতুন সহকারি গ্রন্থাগারিক পদে থাকা সত্বেও একই পদে তাসলিমা খাতুনকে নিয়োগ দিয়ে জটিলতার সৃষ্টি করা হয়। তখন থেকে শিক্ষকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সেলিম আক্তার বলেন, সরকারি নিয়োগ বিধি মোতাবেক স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহকারি গ্রন্থাগারিকের পদ রয়েছে ১টি। ওই পদে দুইজনকে নিয়োগ দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এমন ঘটনা ঘটে থাকলে তা দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

নাজিম উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জালাল উদ্দিন বলেন, ২০০৫ সালে সহকারি লাইব্রেরিয়ান পদে নিয়োগ পান আলেয়া খাতুন। আর অগ্রায়নের ভিত্তিতে নাটোর ডিও কর্তৃক তাসলিমা খাতুনের পদটি সহকারি শিক্ষক (গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান) হিসেবে। তার নিয়োগ হয় ২০১৯ সালে। তাদের পদই আলাদা।

পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি আওয়ামী লীগ নেতা আনোয়ার হোসেন ও তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জয়নাল আবেদীন বলেন, ২০১৯ সালে বিধি মোতাবেক সহকারি গ্রন্থাগার ও তথ্য বিজ্ঞান পদ ফাঁকা থাকায় সেখানে তাসলিমা খাতুনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০০৫ সালে সহকারি গ্রন্থাগারিক পদে আলেয়া খাতুন নিয়োগ নিয়ে অদ্যাবধি চাকরি করছেন। এ বিষয়ে কখনো অভিযোগ করেননি আলেয়া।

নাজিম উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা আক্তার বলেন, একই পদে দুই ব্যক্তির চাকরি করার সুযোগ নেই। তদন্ত করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর