বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আশারফ জিন্দানী (রহ.) মাজার ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির অনিয়মের প্রতিবাদে চাটমোহরে মানববন্ধন জ্বালানি তেলে কারচুপি রোধে বগুড়ায় ৫ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইয়ের অভিযান আটোয়ারীতে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বীরগঞ্জে দিনব্যাপী কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ  ভাঙ্গুরায় অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,২ জনের কারাদণ্ড রাজশাহীতে সরকারি সেবাদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের হাতে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ

চাটমোহরে রোপা আমন ধান রোপণে ব্যস্ত কৃষক

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন

পাবনার চাটমোহরের প্রতিটি মাঠে রোপা আমন ধানের চারা রোপণ শুরু হয়েছে। পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি চাষের পর জমির আগাছা অপসারণ, বীজতলা থেকে চারা তোলার কাজে পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে এ এলাকার কৃষকদের মূল ব্যস্ততা রোপা আমন নিয়েই।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর রোপা আমন চাষে ল¶্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৭৫০ হেক্টর চারা রোপণ করা হয়েছে। এবার রোপা আমন ধানের চারার কোন সংকট নেই। হাট-বাজারে প্রচুর চারা বিক্রি হচ্ছে। কৃষক চাহিদা মতো চারা কিনছেন। তাছাড়া কৃষক নিজেও বীজতলা তৈরি করে চারা উৎপাতন করেছে। তবে লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে কৃষি অফিসারের ধারণা। এ উপজেলায় উল্লেখযোগ্য জাতসমুহের মধ্যে ব্রিধান ৩৯, ৭৫, ৮৭ এবং বিনাধান ৭, ১৭ ও ২২ বেশি চাষ হচ্ছে।

চাটমোহরের চড়পাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, প্রতি বছরের মত এবারও জমি প্রস্তুত করে রোপা আমন রোপণ করছি। চারা রোপণ থেকে কাটা পর্যন্ত বিঘা প্রতি ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ হবে। আর প্রতি বিঘায় ধান পাওয়া যায় ১৫ থেকে ১৬ মণ। এখন পর্যন্ত বিলের মাঠে বন্যার পানি না থাকায় এবারে কৃষক প্রচুর রোপা আমন লাগাচ্ছেন। কিন্তু বর্তমানে কয়েকটিন হচ্ছে বন্যার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। যদি বর্ষার পানি ব্যাপক বৃদ্ধি হয় তাহলে রোপা আমন পানিতে তলিয়ে ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষক।

চাটমোহর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এ এ মাসুমবিল্লাহ বলেন, এ উপজেলায় রোপা আমন লাগানো চলছে পুরোদমে। ইতোমধ্যে ৩৫ শতাংশ জমিতে কৃষক ধান লাগিয়েছে। এবারে লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে আশা করছি। তবে গত কয়দিন বন্যার পানি বাড়ছে। এতে কৃষকেরা অনেকটাই হতাশায় পড়েছেন। চারা সংকট না থাকায় কৃষক স্বচ্ছন্দে রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর