বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আশারফ জিন্দানী (রহ.) মাজার ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির অনিয়মের প্রতিবাদে চাটমোহরে মানববন্ধন জ্বালানি তেলে কারচুপি রোধে বগুড়ায় ৫ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইয়ের অভিযান আটোয়ারীতে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বীরগঞ্জে দিনব্যাপী কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ  ভাঙ্গুরায় অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,২ জনের কারাদণ্ড রাজশাহীতে সরকারি সেবাদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের হাতে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ

চাটমোহরে বই পায়নি শিক্ষার্থীরা

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন

নতুন বছরের প্রায় দুসপ্তাহ গত হচ্ছে। পাবনার চাটমোহরে ১ জানুয়ারি থেকে ক্লাস শুরু হলেও আংশিক বই হাতে না পাওয়ায় কোমলমতি শিশুরা নতুন বই প্রাপ্তির আনন্দ বঞ্চিত হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে লেখা পাড়া। উপজেলার প্রাথমিক পর্যায়ের ২৩৯ বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত ছাত্র ছাত্রীর হাতে পৌছেনি ১৪ টি বিষয়ের সব বই।

উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, চাটমোহরে ১৫৫ টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেসরকারি ২২ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বেসরকারি সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত ১২ টি বিদ্যালয় ও ৫০ টি কিন্ডার গার্টেন স্কুল রয়েছে। প্রথম শ্রেণীর ইংরেজি ও গনিত, দ্বিতীয় শ্রেণীর বাংলা ও গনিত, তৃতীয় শ্রেণীর বাংলা, গনিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, চতুর্থ শ্রেণীর বাংলা, গণিত ও প্রাথমিক বিজ্ঞান এবং পঞ্চম শ্রেণীর বাংলা, গনিত, প্রাথমিক বিজ্ঞান ও ধর্ম এ ১৪ টি বিষয়ের বই চাটমোহরে না পৌছায় হাতে পায়নি শিক্ষার্থীরা।

চাটমোহরে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৪২ টি। এখন পর্যন্ত সপ্তম শ্রেণীর কোন শিক্ষার্থীই একটি বইও হাতে পায়নি। নবম শ্রেণীর বই আংশিক এসেছে। চাহিদার তুলনায় কম বই আসায় এ শ্রেণীর বই সংকট এখনো কাটেনি।
অপরদিকে মাদ্রাসারও সপ্তম শ্রেণীর কোন বিষয়ের বই এখনো চাটমোহরে পৌছেনি বিধায় সপ্তম শ্রেণীতে অধ্যায়নরত ছাত্র ছাত্রীর মাঝে বই বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। এবতেদায়ী পর্যায়ে প্রথম শ্রেণীর গণিত, ইংরেজি, বাংলা, দ্বিতীয় শ্রেণীর গনিত, ইংরেজি ও আদরসুল আরাবিয়া বই চাটমোহরে না পৌছায় শিক্ষার্থীদের মাঝে তা বিতরণ করা সম্ভব হয়নি।

অরবিটল লিঙ্ক স্কুলের সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থী হাসানাত ফেরদৌস পূন্য জানান, সে এখনো কোন বই হাতে পাইনি। চড়–ইকোল উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তাপস রঞ্জন তলাপাত্র জানান, অধিকাংশ বই পেয়েছি এবং ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে বিতরণ করেছি। সপ্তম শ্রেণীর বই এবং নবম শ্রেণীর আংশিক বই না পাওয়ায় বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। খুব শীঘ্রই পেয়ে যাব আশা করছি।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার খন্দকার মাহবুবুর রহমান জানান, ইতিমধ্যে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে। আমরা যে বইগুলো পাচ্ছি সেগুলো স্কুলগুলোতে সরবরাহ করছি। আশা করছি খুব দ্রুত সব বই চলে আসবে। তখন এ সংকট আর থাকবে না।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মগরেব আলী জানান, নিম্নমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও মাদরাসা মিলে বইয়ের চাহিদা ছিল ৫,১৫,১৬৫ টি। বই পেয়েছি ৩,৬৮,৫১৩টি। অধিকাংশ বই চলে এসেছে এবং আমরা তা বিতরণ করেছি। কিছু বই এখনো না আসায় বিতরণ করতে পারিনি। আশা করছি এ সংকট দ্রুত কেটে যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর