বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আশারফ জিন্দানী (রহ.) মাজার ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির অনিয়মের প্রতিবাদে চাটমোহরে মানববন্ধন জ্বালানি তেলে কারচুপি রোধে বগুড়ায় ৫ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইয়ের অভিযান আটোয়ারীতে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বীরগঞ্জে দিনব্যাপী কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ  ভাঙ্গুরায় অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,২ জনের কারাদণ্ড রাজশাহীতে সরকারি সেবাদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের হাতে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ

ভাঙ্গুড়ায় খোলা আকাশের নিচে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম

চলনবিলের আলো ডেস্ক:
আপডেট সময়: বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৬ পূর্বাহ্ন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়নের মিশমেথুইর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে প্রতিষ্ঠার ২১ বছর পর ১৯৯১ সালে বিদ্যালয়ে ৬ রুম বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ করা হয়। এরপর থেকে ওই ভবনেই চলছিল বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম। এদিকে ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি জাতীয়করণ হয়। এরপর থেকে বিদ্যালয়টিতে শিক্ষা কার্যক্রম ভালোভাবে চললেও ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরের প্রথম দিকে বিদ্যালয়টিতে পূর্বে স্থাপিত ভবনটি ভেঙে একই স্থানে নতুন ভবনের কাজ চলমান রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদানের জন্য কোনো শ্রেণিক¶ না থাকায় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য কোবাদ আলীর বাড়িতে বেশ কিছু দিন পাঠদানের পর এখন মাঠের মধ্যে ছামিয়ানা টাঙ্গিয়ে পাঠদান কার্যক্রম চলছে। সেটাও মূল ভবন থেকে প্রায় আধা কি:মি দূরে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রায় ১৬৯ জন শিক্ষার্থী ও শিক্ষকের জন্য নেই কোনো বিশুদ্ধ পানির কল। প্রধান শিক্ষকের নিজ উদ্দোগে করেছেন টয়লেটের ব্যবস্থা। প্রতিনিয়ত শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের বিশুদ্ধ পানির জন্য যেতে হয় পার্শ্ববর্তী বাড়িগুলোতে। শিক্ষার্থীরা বৃষ্টি এবং গরমে অস্বস্তিকর পরিবেশে ক্লাস করায় স্কুলে আসার প্রতি আগ্রহ হারাচ্ছে।

অভিভাবকরা বলছেন, প্রায় ২১ বছর পূর্বের ভবন কেন ভাঙা হলো? আর শিক্ষার্থীদের যথাযথ পাঠদানের ব্যবস্থা না করে দীর্ঘদিন ধরে নতুন ভবনের কাজ চলমান দুঃখজনক।

প্রধান শিক্ষক ইয়াছিন আলী জানান, ভবনের কাজ চলমান থাকায় সমস্যা হলেও আমরা নিয়মিত কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছি।

প্রতিষ্ঠানের সভাপতি রুহুল আমিন বলেন, শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহতসহ বেশ কিছু সমস্যা বিদ্যালয়টিতে রয়েছে। বিষয়টি উত্থাপন করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেও এখনো কোন সমাধান পাইনি।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আবুল কালাম বলেন, রবিবারে আমি নিজে সরেজমিনে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করেছি সমস্যা গুলো দেখেছি। আমাদের ফান্ডে অতিরিক্ত টাকা না থাকায় ঘর করে দিতে পারছি না। তবে দুই একদিনের মধ্যেই টিনের ছাউনি করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মাদ নাহিদ হাসান খান বলেন, বিষয়টি সম্পর্কে আমি জেনেছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলেছি। অতি দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর