শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানুষের আস্তা আর ভালবাসায় উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকতে চান সফল চেয়ারম্যান- মিজানুর রহমান  নাগরপুরবাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি অধ্যাপক আব্দুস সালাম ঈশ্বরদীবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র মোখলেছুর রহমান বাবলু

আটঘরিয়ায় খেতেই পচে যাচ্ছে ৩ লাখ টাকার তরমুজ

মাসুদ রানা, আটঘরিয়া(পাবনা)প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন

তীব্র তাপদাহ ও রমজান মাসে চাহিদা বাড়ায় বেশ ভালো দামে বিক্রি হচ্ছে রসালো ফল তরমুজ। আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের শ্রীকান্তপুর গ্রামের তরমুজ চাষি শাহাজান আলীর ছেলে ওয়াসিম আলী। উপজেলার একমাত্র তরমুজ চাষি তিনি। তবে ৩লাখ টাকার তরমুজ খেতেই পচে যাচ্ছে।

দেড় থেকে দুই বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন তিনি। ভাইরাস সংক্রমণের ফলে খেতেই তরমুজ গাছের পাতা হলুদ ও সবুজের মিশ্র রঙ ধারণ করে গাছ ও ফল মরে যাচ্ছে। তরমুজ পরিপক্ক হওয়ার আগেই এমন বিপর্যয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তরমুজ চাষি ওয়াসিম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, মোড়ক রোগে জমিতেই পঁচে ঝলছে গেছে চাষি ওয়াসিম আলীর দেড় থেকে দুই বিঘা জমির তরমুজের গাছ। মরা গাছের সাথে অপরিপক্ক তরমুজও পঁচে আছে সারি সারি। প্রায় পৌঁনে দুই বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করে ছিলেন তিনি। একটা টাকারও তরমুজ বিক্রি করতে পারেন নি চাষি ওয়াসিম।

¶তিগ্রস্থ্য তরমুজ চাষি ওয়াসিম জানান, আমি দেড় থেকে দুই বিঘা জমিতে এ বছর মোড়-১৯ জাতের তরমুজ লাগিয়েছি। এতে খরচ হয়েছিল প্রায় ১লাখ ৫০ হাজার টাকা। তিনি লাখ তিনেক টাকা লাভের আশা করেছিলেন। প্রথম দিকে জমিতে তরমুজের গাছও হয়ে ছিল ভাল। কিন্তু ফল আসতে ছিল না। গাছের বয়স বাড়ার সাথে সাথে তরমুজের ফল আসতে শুরু করল। তরমুজও পরিপক্ক হতে লাগলো।

তিনি আরও বলেন, হঠাৎ করেই ভাইরাসের আক্রমণ শুরু হয়। কয়েক দিনের মাথায় ¶েতে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। তাতে খেতের সব তরমুজে পঁচন ধরে জমিতে ঝলছে পড়ছে। এখন যে অবস্থা, তাতে এক টাকার ফসলও ঘরে যায়নি। ফলও আসলো কিন্তু টেকানো গেলো না।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সজীব আল মারুফ জানান, উপজেলায় তরমুজ চাষ একদমই নতুন। বছরে হাতে গোনা কৃষকও তরমুজ চাষ করে না। আবার কোনো মৌসুমে দুই একজন চাষি শখের বসে পরী¶ামূলক তরমজু চাষ করে। এ উপজেলা বছরে অল্প সংখ্যক তরমুজ চাষ হওয়ায় তেমনটা লাভবান হতে পারে না চাষিরা। এ জন্য তরমুজ চাষে চাষিদের তেমনটা আগ্রহ নেই। ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রচুর পরিমাণ তরমুজ এসে চাহিদা পূরুণ করে আক্রান্ত তরমুজের খেতে সঠিক নিয়মে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। সঠিক পদ্ধতি জানা না থাকলে দ্রুত ভাইরাস এ আক্রমণ করে।

 

 

#CBALO/আপন ইসলাম

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর