সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’ রাণীনগরে বন্ধুদের সাথে ঘুরতে বেড়িয়ে প্রাণ গেল কিশোরের! আহত ৫ ভারতে বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল ৩৩ জন বাংলাদেশী নাগরিক নাগরপুরে অসচ্ছলদের ঈদ উপহার দিলেন ভাদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী কাজী আদনান রুসেল কাঞ্চনপুর ছনকা পাড়া যুব সমাজের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত বান্দরবানে চাঞ্চল্যকর মা ও শিশু মৃত্যুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পুলিশ সুপার দেশবাসীকে মাহে রমজান শেষে পবিত্র ঈদ-উল‎ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন জাকারিয়া পিন্টু নাগরপুরে এসএসসি ব্যাচ’২০০৭ এর ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

নিজের পায়ে কুড়াল মেরেছেন ইমরান খান?

চলনবিলের আলো আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
আপডেট সময়: সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন

রাজনৈতিক অপরিপক্বতার কাছে হেরেই চলেছেন ইমরান খান। গোটা দলসহ জাতীয় পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে তিনি তার রাজনৈতিক বিরোধীদের জন্য মাঠ উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। এটি মোটেও ভালো রাজনীতি নয়।

পাকিস্তানের রাজনীতিতে এখনো ইমরানের প্রাসঙ্গিকতা থাকার কারণ, তিনি যে শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে তিন-তিনটি বছর ক্ষমতায় ছিলেন, সেই ব্যবস্থা থেকে অহংকারের সঙ্গে বেরিয়ে গেছেন। তবে এটি ক্যাপ্টেনের লড়াকু মনোভাবের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। বিষয়টি অনেকটা এমন- তিনি ব্যাটিং না পেলে খেলবেন না।

এটি বোধগম্য যে, অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ইমরান খান যেভাবে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছেন, তা গলধকরণ করা তার জন্য কঠিন। এরপরও সরকারে না থাকার অর্থ এই নয় যে, তার সব দায়-দায়িত্ব শেষ হয়ে গেছে। বিরোধী দলের বেঞ্চে বসে হলেও ইমরানকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে, অন্তত পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত।

নতুন সরকার যখন নিজস্ব আইনি এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চাইবে, তখন ইমরান খানকে নিশ্চিত করতে হবে, যারা তাকে ও তার দলকে নির্বাচিত করেছে তাদের কণ্ঠস্বর যেন জাতীয় পরিষদে প্রতিধ্বনিত এবং স্বার্থ সুরক্ষিত হয়। কিন্তু সেই দায়িত্ব ছাড়ার পথ দেখিয়ে ইমরান তার নির্বাচনী শক্তির বড় ক্ষতিই করেছেন।

জাতীয় পরিষদ থেকে গণপদত্যাগ যে আগাম নির্বাচনের দিকে নিয়ে যাবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। পাকিস্তানের প্রধান নির্বাচন কমিশনার এরই মধ্যে সুপ্রিম কোর্টকে বলেছেন, সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে সাধারণ নির্বাচন আয়োজন সম্ভব নয়, আর এতে কয়েক মাস লেগে যেতে পারে।

এখন শূন্য আসনগুলোতে উপনির্বাচন হলে কী করবে পিটিআই? তারা আবার সেই আসনগুলোতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে? আর তাতে যদি জেতেও, কী পরিবর্তন আসবে? আসনগুলোতে জিতে আবার পদত্যাগ করলে রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় ছাড়া আর কী লাভ হবে? স্পষ্টতই, এই সিদ্ধান্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করা হয়নি। হ্যাঁ, পিটিআই হয়তো জনসমর্থনের ঢেউয়ে গা ভাসাতে চাইবে, কিন্তু তারা তো রাজপথের পাশাপাশি জাতীয় পরিষদে দাঁড়িয়েও আন্দোলন করতে পারতো। এতে কোনো বাধা ছিল না এবং তাতে দলটি আরও বেশি প্রচারণা পেতো।

গত ১০ এপ্রিলের আগে যা কিছু হয়েছে, এখন সেই ধরনের প্রচেষ্টা আবার করা হলে তা প্রশংসনীয় হবে। অধিবেশন কক্ষ অর্ধেক খালি থাকা নতুন সরকারের জন্যেও শুভ নয়। তাদের যেকোনো আইনি সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক বৈধতা হারাবে এবং সেগুলোকে একতরফা এজেন্ডা হিসেবে দেখা হতে পারে। তাই অতীতের মতো এবারও সব দলকে জাতীয় পরিষদে ফিরিয়ে আনার সৎ প্রচেষ্টা থাকতে হবে, যাতে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কিছুটা স্থিতিশীলতার সঙ্গে চলতে পারে।

(পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের সম্পাদকীয় অবলম্বনে)

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর