বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
ভাঙ্গুড়ায় মহান স্বাধীনতা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি কক্সবাজারে খোরশেদ হত্যা: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেফতার ৫, নেপথ্যে ছিল ছিনতাইয়ের চেষ্টা ভাঙ্গুড়া পৌরসভার উদ্যোগে জলাতঙ্ক প্রতিরোধে বিনামূল্যে র‍্যাবিস ভ্যাকসিন বিতরণ সাপাহারে গনহত্যা দিবদ উপলক্ষ্যে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত গোপালপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধের মৃ*ত্যু শশুড় বাড়িতে গিয়ে নিখোঁজের দুইদিন পর নদীতে মিলল জাহিদের মরদেহ, দোষীদের শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন হেমনগরে বেলুয়া প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগ জমকালো ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী  অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন

তাড়াশ উপজেলায় উৎপাদন হচ্ছে হাঁসের বাচ্চা বিক্রী হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়

মোঃ মুন্না হুসাইন, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬, ০৯:৩৮ অপরাহ্ন

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলার নওগাঁ ইউনিয়নের মহেশরৌহালী গ্রামে বিভিন্ন জাতের হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন খামার ( হ্যাচারী) গড়ে উঠছে। বেড়েই চলছে হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন। এখানকার খামারগুলোয় উৎপাদিত হাঁসের বাচ্চা দেশের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ী ও খামারীরা কিনতে আসেন। প্রতিদিন হাজার হাজার হাঁসের বাচ্চা বিক্রি হয়। মহেশরৌহালীর হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন ও বিক্রিতে গোটা দেশের মধ্যে সেরা মোকাম বাজার হয়ে উঠেছে। তাড়াশ উপজেলার মহেশরৌহালী গ্রামটি হাটিকুমরল মহাসড়কের একেবারে পাশেই। গত কয়েক বছরে গ্রামটিতে ছোট বড় মিলে প্রায় ১০০ থেকে ১২০ টি  হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন খামার গড়ে উঠেছে। খামারগুলো হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন হ্যাচারী নামেও পরিচিতি পেয়ে আছে। এখানকার খামার মালিকেরা আগে অন্য পেশায় কাজ কিংবা ব্যবসা করেছেন বলে জানা গেছে। প্রায় ২০ বছর আগে মোঃ আলম ফকির (৪২) নিজ মহেশরৌহালী গ্রামে প্রথম হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন খামার গড়েন। তিনি পূর্বে কৃষি কাজ করতেন। তার খামারটি এখন সবচেয়ে বড় খামার।এ গ্রামে গড়ে তোলা আরো কয়েকটি খামার মালিক হলেন মোঃ আলিম ফকির , আলামিন ফকির , রিপন ফকির , আলতাপ ফকির , মোস্তফা প্রাঃ। প্রতিবেদনে  হ‍্যাচারির জন্ম দাতা মোঃ আলম ফকির বলেন , তার খামারে এক সাথে প্রায় ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার ডিম বাচ্চা উৎপাদনে জন‍্য বসানো হয়ে থাকে বলে তিনি জানান। পাবনা ,সিংড়া,নাটর,রাজশাহী, ফরিদপুর , সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলা এলাকাসহ আরো বিভিন্ন এলাকা থেকে হাঁসের ডিম কিনে আনা হয়। তার খামারসহ অন্য খামারগুলোয় উৎপাদিত হাঁসের বাচ্চা পাবনা , যশোর , কুমিল্লা , কক্মবাজার,খুলনা,ঝিনাইদহ,কুষ্টিয়া, সহ আরোও প্রায় বাংলাদেশের সব জেলাতে কিছু কিছু ব্যবসায়ীরা এখান থেকে পাইকারী কিনে নিয়ে যান। এসব ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ফড়িয়া ব্যবসায়ীরা হাঁসের বাচ্চা কিনে গ্রামে ফেরি করে বিক্রি করে থাকেন। এছাড়া খামারীরা কিনে থাকেন। এদিকে বিভিন্ন এলাকার খামারীরা সরাসরি মহেশরৌহালী এসে হাঁসের বাচ্চা কিনে নিয়ে যান।

তাড়াশ উপজেলার বিরল গ্রামের মোঃ রাসিদুল বলেন আগে অন্য পেশায় কাজ করেছেন। নিজ বাড়ীতে হাঁস লালন পালনে খামার ঘর করেছেন। এখান থেকে প্রায় এক হাজার হাঁসের বাচ্চা কিনে নিলেন । তার এলাকায় এমন আরো অনেক খামার আছে।

এদিকে মহেশরৌহালী গ্রামের বিভিন্ন হ‍্যাচারী থেকে সরেজমিনে প্রায় দেড় ঘণ্টা থেকে দেখা গেছে গ্রামীণ বসতি বহু নারীকে এখান থেকে হাঁসের বাচ্চা কিনে নিয়ে যেতে দেখা গেছে। একাধিক জনের সাথে কথা বলে জানা গেছে এরা বাড়ীতে লালন পালনে ১০০ থেকে ২০০টি হাঁসের বাচ্চা কিনে নিচ্ছেন। সংসারের বাড়তি আয়ের সাথে তারা হাঁসের বাচ্চা লালন পালন করবেন বলে জানান । উপজেলা কৃষি কর্মকতা লুৎফান্নাহার বলেন হাঁসের বাচ্চা উৎপাদন খামারীগণ এর জন্য তার জেলাতে অবশ্যই পরামর্শ দেওয়া হবে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর