মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

ভাঙ্গুড়ায় নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে দুই স্ত্রীও প্রার্থী

মোঃ আব্দুল আজিজ, স্টাফ রিপোর্টার:
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী নুরু-নবী মন্ডল দুলাল মাস্টারের দুই স্ত্রী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় এই নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন বৃহস্পতিবার দুলাল মাস্টারের প্রথম স্ত্রী ফেরদৌসী বেগম এবং দ্বিতীয় স্ত্রী নাসিমা খাতুন রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন।

বিষয়টি নিয়ে ভাঙ্গুড়ায় ব্যাপক আলোচনা চলছে। আর দুলাল মাস্টার বলছেন, ‘চিন্তাশীল’ এক সিদ্ধান্ত থেকে দুই স্ত্রীকেও প্রার্থী করেছেন তিনি।

খানমরিচ ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নুরু- নবী মন্ডল দুলাল মাষ্টার স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে তিনি ছয় মাস আগে চাকরি থেকে স্বেচ্ছায় অবসর নেন।

ভোটের তফসিল ঘোষণার পর তিনি ও তার দুই স্ত্রী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাওয়ার চেষ্টাও চালান।

গত রোববার আওয়ামী লীগ ওই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে তাকে মনোনয়ন দেয়।

বৃহস্পতিবার দুলাল মাস্টার দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলা নির্বাচন অফিসে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর কিছুক্ষণ পর তার দুই স্ত্রীও মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

দুই স্ত্রীর মনোনয়নপত্র দাখিল পারিবারিক কলহের কারণে কি না, কারও কারও মনে সেই প্রশ্নের উদ্রেক ঘটায়।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে দুলাল মাস্টার বলেন,“বিশেষ কিছু কারণে দুই স্ত্রীসহ নিজেও মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করি। যাতে পরিবারের কেউ একজন চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করতে পারি। আমি অনেক চিন্তাশীল মানুষ বলেই ভেবেচিন্তে কাজটি করেছি।”

দুলাল মাস্টারের ঘনিষ্ঠ একজন জানান, চাকরি ছেড়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হলেও মনোনয়নপত্র যাচাইয়ে বাদ পড়ে যান কি না, সেই সংশয় থেকে দুই স্ত্রীকে দিয়েও মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন তিনি।

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর