মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
অনলাইন ক্যাসিনো: নীরব মহামারিতে ডুবছে যুব সমাজ – সাজিদুর রহমান সুমন কক্সবাজার সদর উপজেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে আলোচনায় গিয়াস উদ্দিন জিকু: সাধারণ মানুষের দাবি তেলের দাম বাড়লে জিনিসপত্রের দাম বাড়বে : পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল  স্বামীর সম্পত্তির অংশ দাবী করায় সমাজচ্যুত : প্রাণনাশের হুমকী আটঘরিয়ায় “ঈদ আনন্দ সবার সাথে, মাদককে না বলুন দক্ষ যুব সমাজ গড়ে তুলুন” জিন্দানী ব্লাড ব্যাংকের ৬ষ্ঠ বর্ষে পদার্পনে রাত্রিকালীন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত বিএনসিসির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও “বিএনসিসি ডে” উদযাপিত রবিউল শুভ’র কণ্ঠে, আমিনুল ইসলাম মিন্টুর কথায় ঈদের গান ‘দুঃখ দিলি বিকল্প পাইয়া’

লামার ৭টি ইউনিয়নে নির্বাচন ১১ নভেম্বর

মোঃ নাজমুল হুদা, লামা প্রতিনিধিঃ
আপডেট সময়: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ০২:১৬ অপরাহ্ন

বান্দরবানপর লামা উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে আগামী ১১ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ৭টি ইউনিয়নে বৈধ চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ১৮ জন, সংরক্ষিত আসনে মহিলা মেম্বার পদপ্রার্থী ৬৫ জন ও মেম্বার পদপ্রার্থী ২২১ জন।
চেয়ারম্যান পদে পদপ্রার্থী ১৮ জনের মধ্যে ৭ জন আওয়ামী লীগ মনোনীত, ১ জন জাতীয় পার্টি ও ১০ জন স্বতন্ত্র থেকে। স্বতন্ত্র ১০ জনের মধ্যে ২ জন আওয়ামী বিদ্রোহী হওয়ায় তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও লামা সদর ইউনিয়নের আক্তার কামাল এবং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক।
গত ২৭ অক্টোবর প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। তারপর থেকে শুরু হয়েছে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণা।
সবকয়টি ইউনিয়নের সব দলের প্রার্থীদের সাথে কথা বলে জানা যায়, এখন পর্যন্ত বড় কোন ধরনের সমস্যা ছাড়া চলছে প্রচার প্রচারণা। তবে ৭টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টিতে (আজিজনগর, ফাইতং, সরই ও ফাঁসিয়াখালী) স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীরা জানান, এই ইউনিয়ন গুলোতে রয়েছে বহিরাগত লোকজন আনাগোনা। এদের ঠেকানো না গেলে নির্বাচনের দিন ঝামেলা বাড়তে পারে। এদিকে ৭টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান, মেম্বার ও মহিলা মেম্বারা প্রার্থীরর শেষ সময়ে এসে প্রচার- প্রচারণা, গণসংযোগ জমে উঠেছে।
এদিকে সব প্রার্থীরা মিছিল, মিটিং, উঠান বৈঠক, জনসভা, মাইকিং, জনসংযোগ করে যাচ্ছে। নির্বাচন বিধিমালা মতে রাত ৮টার পর প্রচার প্রচারণা বন্ধ করার কথা থাকলেও অনেকে তা মানছেনা। অনেক রাত পর্যন্ত করছে উঠান বৈঠক ও জনসভা।
কয়েকটি ইউনিয়নে সরকার দলীয় কিছু লোকজন দলের প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে। বিষয়টি নিতে সমাধানে ইতিমধ্যে জেলার নেতৃবৃন্দরা গত দুইদিন যাবৎ লামা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিদর্শন করেন ও তাদের সাথে বসে সমাধানের চেষ্টা চলছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য সকল ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলা জানা যায়। ভোটাররা যেন কোন ধরনের ভয়ভীতি ছাড়া কেন্দ্রে এসে ভোট দিতে পারে তার জন্য করণীয় সব করা হচ্ছে।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোস্তফা জাবেদ কায়সার ও উপজেলা নির্বাচন অফিনের সূত্রে জানা যায়, আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ, আনসার, ভিডিপির পাশাপাশি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনী ও বিজিবি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর