বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিরোনাম :
আশারফ জিন্দানী (রহ.) মাজার ও মসজিদ পরিচালনা কমিটির অনিয়মের প্রতিবাদে চাটমোহরে মানববন্ধন জ্বালানি তেলে কারচুপি রোধে বগুড়ায় ৫ ফিলিং স্টেশনে বিএসটিআইয়ের অভিযান আটোয়ারীতে সরকারি কর্মকর্তা ও সুধীজনের সাথে নবাগত জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে বীরগঞ্জে দিনব্যাপী কৃষক কৃষাণী প্রশিক্ষণ  ভাঙ্গুরায় অবৈধভাবে মাটি কাটায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা,২ জনের কারাদণ্ড রাজশাহীতে সরকারি সেবাদাতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সংলাপ অনুষ্ঠিত মানিকগঞ্জে জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক এডভোকেট জামিলুর রশিদ খান দরিদ্র ও অসহায় ব্যক্তিদের হাতে সরকারি যাকাত ফান্ডের চেক বিতরণ

নান্দাইলের পল্লীতে খুনের ঘটনায় বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট ; ৩ জন আহত

ফরিদ মিয়া নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:
আপডেট সময়: বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার রসুলপুর গ্রামে গত বুধবার জমি-জমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে মো. আবুল হোসেন আকন্দ ওরফে লিটন প্রতিপক্ষ মো. মাসুম মিয়া গংদের সাথে উভয়পক্ষে মারামারির ঘটনা সংগঠিত হয়। এতে করে সুমন মিয়া নামে এক যুবক মারাত্মক আহত হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করে। অপরদিকে একই ঘটনায় প্রতিপক্ষ মো. মাসুদ আকন্দ, আঃ রাজ্জাক ও আজিজুল হক মারাত্মক আহত হলে তাদের নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কতর্ব্যরত ডাক্তার তাদের অবস্থা গুরুতর দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। পরে তাদের কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করে। সুমনের মুত্যু সংবাদ এলাকায় প্রচার হবার সাথে সাথে মো. আবুল হোসেন @লিটন, দুলাল আকন্দ, আঃ কদ্দুস আকন্দ, খোকন মিয়া, রিপন মিয়া সহ ২৫/৩০ জনের একটি দল প্রতি পক্ষের বাড়ি-ঘরে ব্যাপক হামলা চালিয়ে খালী বাড়ি পেয়ে ব্যাপক লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মোছাঃ দেলোয়ারা বেগম স্বাক্ষরিত অভিযোগ থেকে জানাগেছে, বিবাদীরা মনজিলা খাতুন, সাইকুল ইসলাম আকন্দ, মাসুম মিয়া আকন্দ, মামুন মিয়া আকন্দের ঘর বাড়ি সহ ১৫জনের বাড়ি ঘর ভাংচুর, নগদ টাকা, টিভি, ফ্রীজ, গরু-ছাগল, ধান-চাল সহ সমস্ত মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। অভিযোগ থেকে আরও জানাগেছে, ১৫ পরিবারের বাড়ি ঘরে ভাংচুর সহ ৬০/৭০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। বর্তমানে সরজমিনে পরিদর্শন করে দেখা গেছে, ১৫ পরিবারের কোন সদস্য বাড়ি ঘরে নেই। ঘর বাড়ি এলামেলো অবস্থায় পড়ে আছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান আকন্দ জানান, দু’পক্ষের মারামারির পর একজন মুত্যুবরণ করায় রসুলপুর গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়। খুনের ঘটনায় ১৮জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত ৬/৭ জনের নামে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতিপক্ষের বাড়ি-ঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

 

#চলনবিলের আলো / আপন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর পড়ুন
এক ক্লিকে বিভাগের খবর